চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুলারহাট বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

অনলাইন গেমসে্ আসক্ত স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। অবিভাবকরা আতঙ্কিত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে!

মিরাজুল ইসলাম::

করোনা কালে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় দিন দিন স্কুল কলেজের ছেলে-মেয়েরা অনলাইন গেমস্ খেলার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। এতে যেমন তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি ভবিষ্যতে তাদের অনেকে শারীরিক ও মানসিক সমস্যা সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করছেন মনোবিজ্ঞানীরা।

স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। অনলাইন গেমগুলো জুয়ার মত খেলতে হয়। যেমন ফ্রী ফায়ার গেম খেলতে হলে ১০০ ডায়মন্ড কিনতে দরকার হয় ৮০ টাকা। বাংলাদেশে ফ্রী ফায়ার গেম খেলে ১৪ লাখের অধিক লোক যাদের অধিকাংশ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী। এমনকি এই গেমের আইডি ৫০০ টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্রয়-বিক্রয় হয়। কয়েকজন গেইমার প্রতিবেদককে জানিয়েছে, গেইম খেলার ফলে তাদের অনেকের অনিদ্রা দেখা দিয়েছে। গেমে হারলে মানসিক অবস্থা খিটখিটে হয়ে যায়। তারপর গেম খেলার টাকা জোগাড় করার জন্য বিভিন্ন অপরাধ মুলক কাজে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করে। ইতিমধ্যে এই গেইম খেলায় আসক্ত হয়ে গাজীপুরের কাশিমপুরে একটি ছেলে আত্মহত্যা করছে। অভিবাবকদের দাবি, অবিলম্বে এই গেইম বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হোক অথবা টিনএজ স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা যেন খেলতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা হোক। তাহলে অনেক ছেলে-মেয়ের জীবন রক্ষা পাবে এই ভয়ংকর গেমের হাত থেকে। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এসব অনলাইন গেম সম্পর্কে ভেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা।

ডাঃ তাওহীদ হোসেন এই বিষয়ে বলেন গেমের প্রভাবে ছেলে-মেয়েদের মানসিক বিকাশে সমস্যা হয়। চোখে সমস্যা দেখা দেয় এছাড়াও তারা বাসায় একা একা অনলাইনে বিভিন্ন কিলিং মিশনের গেম খেলে তাদের কাছে হত্যা ও অপরাধ মনে হয় না। তারপর অনলাইনে পর্ন রিলেটেড গেম আছে ঐগুলো খেলে নারীদের পোশাক আসাকের প্রতি ছেল- মেয়েদের সম্মান কমে যাচ্ছে। এর প্রভাবে তারা ধর্ষনের মত জঘন্য কাজেও জড়িয়ে পড়ে।

মুজিববর্ষ