চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুলারহাট বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

উজিরপুর কাবিখার সরকারী চাল নিয়ে সংবাদ প্রকাশে জেরে সাংবাদিক’কে হুমকি(ভিডিওসহ)

 

 

স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের হতদরিদ্রের মাঝে কাবিখা, ১০ টাকা কেজিতে চালসহ বিভিন্ন ত্রান বিতরন করছে সরকার। সেউ চাল অসহায় মানুষের মাঝে না দিয়ে রাতের আধারে বিক্রয় করা হচ্ছে মুদির দোকানে।

তথ্য পেয়ে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক প্রতিবাদ করায় ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ডাঃ হরন রায় ও মেম্বার ফারুক হোসেন তালুকদার এদের দ্বারা সে হুমকীর শিকার হচ্ছে। হুমকীর শিকার ঐ সাংবাদিক ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি হারতা নিবাসী মোঃ শফিকুল ইসলাম (শামিম)। বর্তমানে সে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানা যায়,গত মাসের (২৫মার্চ) বুধবার ঐ সাংবাদিক তথ্য পায় হারতা বন্দরে এক মুদির দোকানির নিকট কাবিখা ও ১০ টাকা কেজির চাউল বিক্রয় হচ্ছে এবং হারতা বন্দরের দোকানদার অমল সাহা, পুত্র শিব শংকর সাহা’র নিজ ঘরে রাতের আঁধারে ১০ টাকা দরের চাল ক্রয় করে লুকিয়ে রেখেছেন । এমন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে ভুক্তভোগী ঐ সাংবাদিক হারতা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আজমল হোসেনকে ফোন দিয়ে অবহিত করে।

অতঃপর ক্যাম্পের ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে আসেন। ঘটনাটি ঘটে ঐ এলাকার আওয়ামী লীগের সভাপতি শুনিল বিশ্বাসের বাসার পাশের বাড়ি সেও তখন ঘটনা স্থলে ছিল। এর মধ্যে ঐ চাউলের তথ্য চিত্র সাংবাদিক তার ক্যামেরা বন্দী করে ফেলে। পরে হুমকিদাতা ঐ চেয়ারম্যান ও মেম্বার ঘটনাস্থলে হাজির হয় এবং সাংবাদিককে বলে, ওটা কাবিখার চাল ওটা বিক্রয় করা যাবে তুমি এর মধ্যে নাক গলিও না। তারপর সাংবাদিককে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালাগাল সহ সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য হুমকী দেয়। সাংবাদিক বিষয়টি বাসায় ফিরে তার পরিবারকে জানালে তার পরিবার সংবাদ প্রকাশ করতে নিষেধ করায় সংবাদটি সে প্রকাশ না করে পরে জেলা প্রশাসকে অবহিত করার চেষ্টা করে। কিন্তু বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসক ব্যাস্ত সময় পার করছে বলে ঐ ঘটনার বিষয়ে তিনাকে অবহিত করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে ঐ সাংবাদিক প্রতিনিয়ত কথিত মেম্বার ও চেয়ারম্যানের লোকদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে এবং হুমকীর মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাছাড়া তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়া হবে না হলে তাকে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে ব্যাক্তিরা। চরমভানে নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে সে জেলাপ্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছে,

এবিষয় হারতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জানান, চাল চুরি ও সাংবাদিক হুমকির অভিযোগ মিথ্যা। উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কাছে জেনে দেখুন গত তিন মাস যাবত আমার নামে কোন ডিও নেই তাহলে কিভাবে আমি এটা করতে পারি ? ওটা কাবিখার চাল! সেটার উত্তলন ও বিতরন করার জন্য মনিদ্র মেম্বারকে দ্বায়ীত্ব দিয়েছি। কিন্তু সেটা আমি বা আমার কোন মেম্বার বিক্রি করে নাই। যার যার চালটা সে স দোকানে বিক্রি করেছে। এটা কিভাবে সম্ভব ? জানতে চাইলে চেয়ারম্যান জানান, কাবিখার কাজ চলা কালে লেভাররা ওই দোকান থেকে প্রত্যেকে প্রয়োজনীয় বাজার বাকীতে ক্রয় করে, যার ফারুক মেম্বারের নামে ৪৩০০টাকার , মনিন্দ্র মেম্বার ১ম বারে ১৯৭০টাকা ও ২য় বারে ১৭৭০টাকার মেমো দেয়া হয়। সেখান কার নেই লেভাররা চাল দোকানে বিক্রি করে বিগত টাকা পরিশোধ করে বাকি টাকা নিয়ে যায়। এখানে আমাদের কোন হাত নাই। কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঐ সাংবাদিক জানান, সরকার গরীব অসহায় মানুষের জন্য কাবিখা ও ১০ টাকা কেজিতে চাউল বিক্রয় করছে হারতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বার। ঐ চাউল গরীব মানুষের কাছে না দিয়ে তা মুদী দোকানীর নিকট বিক্রয় করছে এমন অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই এবং বিষয়টি স্থানিয় ক্যাম্পের ইনচার্জকে অবহিত করি। তাছাড়া বিক্রিত চাউলের তথ্যচিত্র আমার ক্যামেরায় ধারন করি। কিন্তু ঘটনার দিন আমি মেম্বার ও চেয়ারম্যানের হুমকির শিকার হয়ে সংবাদটি প্রকাশ করতে পারিনি। বিষয়টি আমার সিনিয়ারদের জানালে তারা জেলা প্রশাসকে অবহিত করার জন্য পরামর্শ দেন। এর ভিতরে আমার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেম্বার ও চেয়ারম্যানের বিভিন্নভাবে হুমকী দিচ্ছে। নিরুপায় হয়ে আমি গৃহ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি এবং তার তাদের ভাড়াটে লোকজন আমাকে খোজাখুজি করছে আমাকে প্রানে মেরে ফেলা ও আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকী দিচ্ছে যার ফলে আমি নিজেকে অনেক অসহায় মনে করছি।

এমন অবস্থায় সে জেলা প্রশাসক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জীবনের বিশেষ নিরাপত্তা চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে।

মুজিববর্ষ