জনপ্রতি ১২ কেজি পেঁয়াজ না নিলে দিচ্ছেন না তেল, চিনি ও ডাল! মুলাদীতে সার্চ,সৌল,সয়েল নামে শিল্পকর্মের উদ্যোগে ৪ দিন ব্যাপী ১০ জন তরুন কোন ঘোষনা ছাড়াই বরিশাল নগরীতে বাস চলাচল বন্ধ রাখলো পরিবহন শ্রমিকরা বরিশালে কলেজ ছাত্রী রিপার লাশ উদ্ধার বরিশালে মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে অটোগাড়ি চালকদের থানায় অবস্থান ঝালকাঠিতে ৪১ টি বেইলি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ! পোর্টরোড এলাকা থেকে ২৮৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক বিক্রেতা আটক বরিশালে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী বরিশালে থ্রিহুইলার ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৬

sarjan faraby

এস আই মহিউদ্দিনের নির্যাতনে নয়, নেশার কারণে মৃত্যু রেজাউলের!!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে পুলিশ হেফাজতে মৃত শিক্ষানবিশ আইনজীবী রেজাউল করিম রেজার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডা. আতিক আহম্মেদ আকন্দ। তিনি বলেন, ধারণা করছি রেজার শরীরের একই জায়গায় বারবার নেশার ইনজেকশন পুশ করায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। সেই ক্ষত থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারণেই রেজার মৃত্যু হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ডা. আতিক আহম্মেদ আকন্দ।

ডা. আতিক আহম্মেদ আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, ‘১ জানুয়ারি রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে কারাগার থেকে রেজাকে এনে প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয়। তখন সার্জারি-১ ইউনিটের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। রোগী রক্তশূন্যতা নিয়ে এখানে ভর্তি হন। তার বাম পায়ের সংযোগ স্থলে ক্ষতচিহ্ন ছিল। ওই ক্ষত থেকে প্রচুর রক্ত ঝরছিল। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তার হাত-পায়ের শিরাগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় ক্যানোলা পরানো যাচ্ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই কারণেই রোগীকে আমার কাছে নিয়ে আসে। তখন আমি রোগীর বাহুর নিচে ডান বুকের ওপরের শিরার সঙ্গে ক্যানোলা লাগিয়ে রক্ত ও স্যালাইন সঞ্চালনের ব্যবস্থা করি।’

‘রেজার পরিবারের অভিযোগ, তাকে পুলিশি নির্যাতনেই রেজার মৃত্যু হয়েছে।’ পরিবারে এমন অভিযোগ বিষয়ে ডা. আতিক আহম্মেদ বলেন, ‘রোগীর পুরো শরীর দেখা হয়েছে। কোথাও স্পষ্টভাবে মারধরের কিংবা দুর্ঘটনার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এমনকী রোগীর কাছে জানতে চেয়েও এই ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ৪ দিন আগে কোনো মানুষকে চর-থাপ্পড় দিলেও সেই আঘাতের চিহ্ন থাকে না। বড় কোনো আঘাত হলে তার চিহ্ন ধরা পড়ে। সে ক্ষেত্রেও রেজার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে রেজার মাথায় কোনো আঘাত করা হয়েছিল কি না, ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে ডা. আতিক বলেন, ‘রেজা সুঁইয়ের মাধ্যমে নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করতেন বলে চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন। এই কারণে তার হাত-পায়ে শিরাগুলোতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক ছিল না। বেশিরভাগ সময়ই তিনি বাম পায়ের সংযোগস্থল দিয়ে নেশার ইনজেশন নিতেন। এই কারণে সেখানে ক্ষত তৈরি হয়েছে। ওই ক্ষত দিয়েই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘মূলত একই জায়গায় বারবার ইনজেকশন নেওয়ায় ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত সার্জারির মাধ্যমে এসব ক্ষত নিরাময় সম্ভব। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে সার্জারির আগেই রেজা মারা যান।

মুজিববর্ষ