বরিশাল কাশিপুর ইউনিয়নে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে ৩জনকে কুপিয়ে জখম ওরা আর মানুষ হইলো না! বরিশালে সন্ধ্যার পরে ঔষধের দোকান ব্যতিত সকল দোকান বন্ধে নির্দেশ -পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান দেশে সন্ধ্যার পর ফার্মেসি ছাড়া সব দোকান বন্ধের নির্দেশ বরিশালে মসজিদে মসজিদে মাইকিং, ‘দয়া করে বাসায় নামাজ পড়ুন বিসিসির মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সন্মানির সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা -ত্রাণ তহবিলে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক রোগীর মৃত্যু উজিরপুরে গভীর রতে অসহায় পরিবারের দুয়ারে এান নিয়ে ওসি জিয়াউল হাসান ভান্ডারিয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ বরিশালে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ কাজে বাধা দেয়ায় ২ জনকে জরিমানা

কে আসছেন বরিশাল মহানগর আ’লীগের নেতৃত্বে

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল আগামী ৮ ডিসেম্বর। কাউন্সিল স্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে চলছে জমকালো আয়োজন। প্রায় ২৫ হাজার কাউন্সিলর, ডেলিগেট, কর্মী-সমর্থক এতে অংশ নিবেন। শেষ মুহূর্তে কারা বসছেন নগর আওয়ামী লীগের  মসনদে, এ নিয়ে দলে আলোচনার ঝড় বইছে। দলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সভাপতি পদে পাঁচজন সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে সদর আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক, সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীরের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর আসা অনেকাংশেই নিশ্চিত। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ বরিশাল মহানগর আ’লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনের ৪ বছর পর ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর মহানগর আওয়ামী লীগের  ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।   গেল ১৯ অক্টোবার মহানগর আওয়ামী লীগের  এ কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, কাউন্সিল উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শেষের পথে প্রস্তুতি। বেলা ১১টায় কাউন্সিলের উদ্বোধন করবেন আমির হোসেন আমু। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি থাকবেন। দুটি ধাপে যথাক্রমে উদ্বোধনী পর্ব সকালে এবং কাউন্সিল বিকালে হবে। যদি ভোট হয় তবে ৩৭১জন ভোটার ভোট দিবেন। তবে ব্যালট ভোটে নাকি কণ্ঠ ভোটে কাউন্সিল সম্পন্ন হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, নতুন কমিটিতে নবীন-প্রবীণ দেখা যাবে। সভাপতি প্রার্থী কে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সভাপতি প্রার্থী নাই, কেউ তো বলছেন না।’ তবে ব্যানারে দেখেছি সম্পাদক প্রার্থী মেয়র সাদিক। তিনি অবশ্য বলেন, নগর আওয়ামী লীগের  বাইরে থেকে উঠে এসে কারো নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ সম্পাদক পদে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। তবে সভাপতি পদে একাধিক গ্রুপ বেশ তৎপর রয়েছে।

সূত্রমতে, সদর আসনের সাংসদ কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক সভাপতি পদে প্রার্থী হতে কেন্দ্রে জোর লবিং চালাচ্ছেন। তার সমর্থকরাও দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন। এমনকি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুককে সভাপতি পদে মনোনীত করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ কয়েক নেতা দলের হাই কমান্ডকে অবহতিও করেছেন।
জানতে চাইলে এমপি জাহিদ ফারুক অনুসারী মহানগর যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন বলেন, ‘আমরা চাই কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক এমপি নগরের সভাপতি হোক। কিন্তু কে হবেন তা নেত্রী ছাড়া কেউ জানেন না। তিনি বিভিন্ন জেলার কাউন্সিলের উদাহরণ টেনে বলেন, অর্ডিয়েন্স ছিল একরকম, কিন্তু ঘোষণা হয়েছে অন্যরকম। তবে নেত্রী দায়িত্ব দিলে এমপি জাহিদ ফারুক তা পালন করবেন এমনটাই জানান যুবলীগ নেতা মামুন।

এদিকে মেয়র সাদিক অনুসারী বেশ কয়েকজন সভাপতি পদে লবিং চালাচ্ছেন। তারা হচ্ছেন সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর, সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম এবং বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল। এর মধ্যে অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীরকে সভাপতি পদে নিরাপদ মনে করে সেরনিয়াবাত পরিবার। তবে বিকল্প হিসেবে সাবেক মেয়র হিরন পতœী জেবুন্নেছা আফরোজকে সম্প্রতি জাগিয়ে তুলেছেন তারা। মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সদর আসনের সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ বলেন, কাউন্সিল ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগের প্রাণ কর্মীরা। তারা মনে প্রাণে যাকে চাইবেন তিনিই সভাপতি হবেন। আমি কর্মীদের কাতারে আছি। তবে দল চাইলে আমি দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত আছি।

এ ব্যপারে মহানগর  আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, স্মরণকালের সর্ববৃহৎ কাউন্সিল হবে বরিশালে। এবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ২৫ হাজার কাউন্সিলর, ডেলিগেট, কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকবেন। কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকসহ হেভিওয়েট নেতারা সম্মেলনে থাকছেন। কে আসছেন নেতৃত্বে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সভাপতি পদে কেউই মুখ খুলতে রাজি নন। কাউন্সিল পর্যন্ত অপক্ষো করতে হবে।

মুজিববর্ষ