মানুষের ত্বকের মৃতকোষ দূর করবেন যেভাবে সুন্দরী হতে প্রতিদিন কুকুরের মূত্রপান ছেলেকে না দিয়ে কুকুরের নামে সম্পত্তি লিখে দিলেন বাবা অস্তিত্বহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পাচ্ছেন ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার মহামারির মধ্যেও দেশের থেমে নেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি সাকিবের হাত ধরেই জিতলো বাংলাদেশ রাজধানীতে গৃহকর্মী রেখার পাশবিকতায় আঁতকে উঠছে মানুষ বরিশালে আ’লীগ নেতাকে মারধর;’ বিক্ষোভে থানা ঘেরাও আ’লীগ নেতাকে মারধরে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ

sarjan faraby

ঝালকাঠিতে কোরআন মুখস্থ করলেন বিস্ময়কর ৩ শিশু

পবিত্র কোরআনে সৃষ্টি জগতের নানা রহস্য, উচ্চতর জ্ঞান-প্রজ্ঞা, নৈতিক ও জীবন গড়ার শিক্ষাসহ অশেষ জ্ঞান এবং তথ্যের উৎসে ভরপুর। চিরমধুর, চিরনবীন ও বিশ্বজনীন গ্রন্থ কোরআনে কারিমের উপযোগিতা সব যুগে এবং সব স্থানে কার্যকর। যারা কোরআন মুখস্ত করেন, তাদের কোরআনের হাফেজ বা হাফেজে কোরআন বলা হয়।

ঝালকাঠির এক কিশোর মাত্র ৬ মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন। তার নাম মোঃ বায়েজিত। সে ঝালকাঠি জেলা রাজাপুর উপজেলার দারুল উলুম কওমিয়া মাদরাসার ছাত্র। বায়েজিত মাত্র ৬ মাসে পুরো কোরআন মুখস্ত করে হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। কোরআন মুখস্ত করার আগে সে মাত্র দেড় বছর সময় নিয়ে কোরআনের দেখে দেখে, সহিহ-শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা শেখে।

প্রায় ১০ বছর বয়সী এই হাফেজে কোরআনের শিক্ষকের নাম ক্বারি মোঃ বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেন, বায়েজিত নাজেরা পড়া শেষ করে শুরুর দিকে ২ পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্ত করতে থাকে। পরে সে ৭/৮ পৃষ্ঠা করে মুখস্ত করা শুরু করে। এভাবে সে পুরো কোরআন মুখস্ত করে ফেলে। এখন সে সকালে আধা পারা (১০ পৃষ্ঠা), বিকালে আধা পারা করে মোট ১ পারা কোরআন শুনায় তার শিক্ষককে। বায়েজিত এর বাবা মোঃ সাইদুল ইসলাম একজন চাকুরী জীবী সে ঝালকাঠি পৌরসভার সহ-কারী কর নির্ধারক এবং মাতা গৃহিনী মোসাম্মদ শিরীন সুলতানা।

বিষ্ময় সৃষ্টি কোরআনের হাফেজ মোঃ বায়েজিতের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আলগি গ্রামে । শুধু বায়েজিতই না, দেড় বছরে কুরআন মুখস্ত করে হাফেজ হয়েছেন একই উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের নুরুল ইসলামীয়া দ্বিনীয়া হাফেজি মাদ্রাসা থেকে মোঃ জোবায়ের খান মুত্তকিন। সে সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন খান’র পুত্র। তা মা গৃহিনী মরিয়ম বেগম।

অপরজন মোঃ ওমর ফারুক হাওলাদার রাজাপুরের মনোহরপুর গ্রামের বেসরকারী চাকুরীজীবী মোঃ শফিকুল ইসলামের পুত্র। তার মা গৃহিনী মাহমুদা বেগম।

মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ জানান, জোবায়ের খান মুত্তাকিন ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক (পাঠগ্রহণ) শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর শুনানী করে হাফেজ হয়েছে। মোঃ ওমর ফারুক ২০১৮ সালের মে মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক (পাঠগ্রহণ) শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর শুনানী করে হাফেজ হয়েছে। তাদের জন্য মাদ্রাসা থেকে দোয়া করা হয়েছে। কুরআনের হাফেজদের সার্বিক খাইরিয়াত (মঙ্গল) কামনা করেন তিনি।

মুজিববর্ষ