আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র সুস্থতা কামনায় বহুমূখি সিটি কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যােগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র সুস্থতা কামনায় স্পীডবোট ঘাট মালিক সমিতির উদ্যােগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠি। মোংলায় মাস্ক পরিধান বাধ্যতামুলক করতে পুলিশের অভিযান, ৩২ জনকে অর্থদন্ড আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র সুস্থতা কামনায় ১০নং ওয়ার্ড আ-লীগের উদ্যােগে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত বরিশালে ফ্ল্যাট বাসায় আটকে রেখে পতিতা ব্যবসা! রানা দম্পতি আটক বরিশালে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৬হাজার পিচ ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক আবারো সোহাগ বাহিনীর অত্যাচারে বেলতলায় নিজ বসতিতে যেতে পারছে না সংখ্যালঘু পরিবার ১০নং ওয়ার্ড আ-লীগের উদ্যােগে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন পালিত হুমকি বাস্তবে রুপ, শেষ পর্যন্ত রিয়াজের বাড়ি দখলে নিলো স্বীকৃত হত্যাকারী লিজা! বরিশালে ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে এখনই মাঠ গরম করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা

পটুয়াখালীতে গর্ভবতী নারীকে পানির পরিবর্তে এসিড খাওয়ালো নার্স!

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিপা হাওলাদার (২২) নামে এক গর্ভবতী নারীকে পানির পরিবর্তে ভুলক্রমে এসিড খাওয়ানোর ঘটনা নিয়ে এখন তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

নিপা হাওলাদার কলাপাড়া পৌর শহরের বাদুরতলী এলাকার পুলক হাওলাদারের স্ত্রী বলে জানা গেছে। হাসপাতাল সেবিকাদের গাফেলতি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগীর স্বজনরা দাবি করেছে।

এ ঘটনায় চিকিৎসক জুয়ায়েদ হোসেন লেলিনকে প্রধান করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ডাক্তর অনুপ কুমার সরকার, ডাক্তর সাইমুন সুলতানা শান্তা, ডাক্তর মাহমুদুল রহমান মিতুল, সেবিকা কল্পনা বিশ্বাস ও প্রধান অফিস সহকারি মো. মনোয়ার হোসেন।

এদিকে আহত নিপা হাওলাদারকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত জন্য চিকিৎসার ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেয়া হয় বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ভায়া টেস্ট কক্ষে এমন ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ভায়া টেস্ট করার জন্য সংশ্লিষ্টরা মাম পানির বোতলে এসিড এনে রাখেন। রোগীর স্বজনরা পানি ভেবে ভুলে এসিড পান করালে নিপা হাওলাদার চিৎকার দিয়ে ওঠে। এসময় কর্তব্যরত সেবিকা (নার্স) সালমা বেগম ভায়া টেস্ট কক্ষে অবস্থান করছিলেন।

পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে ধিক্কার জানাতে শুরু করে এলাকার মানুষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি রোগীর স্বজনদের দোষ বলে চালানোর চেষ্টা করছেন।

নিপা হাওলাদারের স্বামী পুলক হাওলাদার জানান, যারা ভায়া টেস্ট করবেন তারা বোতলটি কেন নিরাপদ স্থানে রাখলেন না? তার স্ত্রী একেতো গর্ভবতী, তার মধ্যে এসিডের এমন ঘটনায় তিনি হতাশ হয়েছেন।

তবে সেবিকা সালমা বেগম ভায়া টেস্টের সময় ওই কক্ষে অবস্থান করলেও নিজেকে আড়াল করতে বিষয়টি অন্যর ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করে সাংবাদিকদের বলেন, যিনি ভায়া টেস্ট করেছেন তার নাম তিনি জানেন না। তবে রোগীর চিৎকার শুনে তিনি ছুটে এসেছিলেন।

কলাপাড়া হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার চিন্ময় হাওলাদার জানান, একটি নির্দিষ্ট কক্ষে ভায়া টেস্ট করানো হয়। সেখানে সেবিকা সালমা বেগম ছিলেন। তার অগোচরে রোগীর লোকজন পানি ভেবে এসিড পান করান। এ ঘটনায় ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মুজিববর্ষ