চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুলারহাট বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

পিস্তল বের করেই সার্জেন্টকে গুলি করতে চেয়েছিলেন যুবলীগ নেতা জুয়েল!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজধানী মিরপুর কালশী মোড়ের কাছাকাছি কর্তব্যরত ট্রফিক সার্জেন্টকে মারধর করার সাথে সাথে পিস্তল বের করে হত্যা করতে উদ্দ্যত হন পল্লবী  থানা যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা।

এঘটনায় উক্ত ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, পল্লবী ট্রাফিক জোনে কর্মরত সার্জেন্ট মোঃ আল ফরহাদ গত ২৬ জুলাই সঙ্গীয় কনস্টেবলসহ কালশী রোডের পূর্ব প্রান্ত ক্রসিং এবং আশেপাশের এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছিলেন। বেলা ১১ টার দিকে কালশী মেইন রোডের পূর্ব প্রান্তের দিকে একটি বসুমতি বাসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সার্জেন্ট আল ফরহাদ সঙ্গীয় কনস্টেবলসহ দ্রুত পদক্ষেপ নেন। এসময় বাসের পিছনে কালো জিপ গাড়িতে থাকা যুবলীগ নেতা জুয়েল মোল্লা গাড়ি থেকে নেমেই বাসের ড্রাইভারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

এসময় সার্জেন্ট ফরহাদ তাকে গাড়ির পাশ কাটিয় যেতে বললে ক্ষেপে যায় জুয়েল রানা বাজে ভাষায় গালাগালি করতে থাকে সার্জেন্ট ফরহাদকে। সাজেন্ট ফরহাদ তাকে মুখে মাস্ক পড়ে সুন্দরভাবে কথা বলার অনুরোধ জানালে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল রানা মারধর শুরু করে ফরহাদকে। এক পর্যায়ে যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা পকেট থেকে পিস্তল বের করে সার্জেন্ট ফরহাদকে হত্যা করতে গেলে ফরহাদ নিজেকে বাচাঁতে দ্রুততার সাথে জুয়েলের হাত চেপে ধরে এবং তার সঙ্গীয় কনস্টেবলসহ আশেপাশে লোকজন জুয়েল রানা ও ফরহাদকে নিরাপদ দুরুত্বে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার কিছু সময়ের মধ্যে জুয়েল রানার ৩০/৪০ জনের বাহিনী এসে সার্জেন্ট ফরহাদকে আবারো মারধর করতে থাকে। এ সময় জুয়েল রানা সার্জেন্ট ফরহাদের বুকে থাকা বডিঅন সরকারী ক্যামেরা যাতে পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ ছিল সেটি ছিনিয়ে নেয় ও টেনে হিচড়ে তার পোষাক ছিড়ে ফেলে। ঘটনাটি সার্জেন্ট ফরহাদ ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর এ কে এম মোস্তাফিজুরকে জানালে তিনি পল্লবী থানা পুলিশকে অতিবাহিত করলে পল্লবী থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা তার বাহিনী নিয়ে পলায়ন করে। ঘটনাস্থলে এসি ট্রাফিক পল্লবী, এডিসি ট্রাফিক মিরপুর উপস্থিত হয়ে সাজেন্ট ফরহাদকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইসলামিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।

এ বিষয়ে জুয়েল রানা দিকদর্শনকে বলেন, আমি বাস থামার বিষয়টি জানার জন্য গাড়ি থেকে নামতেই সার্জেন্ট এসে আমাকে মারধর শুরু করে। আমার এমপি মহোদয় ডিসি সাহেব ও তার সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করে দিবেন। সার্জেন্ট ফরহাদের কাছে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

মুজিববর্ষ