বরিশালে পলাশপুরে রাতের আধাঁরে গৃহবধূর বসতঘরে আগুন! এই বৃষ্টি দিন ! প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ শামীম বিশ্বাস বরিশাল জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমূল হুদার আবেগঘন ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন আ-নেতা তৌহিদুল ইসলাম বাকেরগঞ্জে অসহায় মানুষের পাশে মোঃ শামীম বিশ্বাস বরিশালে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ক্রেতা -বিক্রেতাকে জরিমানা পশ্চিম গগনে বাঁকা চাঁদ দেখলেই পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদ অসহায় কর্মহীনদের পাশে দাড়িয়ে নজর কেড়েছে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল

প্রেমের টানে কলকাতার মেয়ে সুস্মিতা এখন স্বরূপকাঠীতে

পিরোজপুর প্রতিনিধি :: প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন সুস্মিতা নামের এক তরুণী। কলকাতার বেলুর থেকে এসেছে সুস্মিতা। কোন রকম পাসপোর্ট ছাড়াই যশোরের বেনাপোল হয়ে দালাল চক্রকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুস্মিতা।

জানা যায় সুস্মিতার সঙ্গে চার বছর থেকে ফেসবুকে পরিচয় হয় মোঃ খাইরুলের। স্বরূপকাঠী উপজেলার মাহমুদকাঠী গ্রামের সোলায়মানের ছেলে খাইরুল। খাইরুল তার বাবা সোলায়মানের সাথে কুমিল্লায় খাবার হোটেলের ব্যবসা করে। সেখানে বসেই দুজনার সাথে ফেইজবুক থেকে পরিচয়।দীর্ঘ চার বছর ধরে বার্তা আদান প্রদানের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গভীর প্রেমে হয়ে ওঠে। সুস্মিতার বাবা মা সেই দেশে সুস্মিতার বিয়ে ঠিক করলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। বেলুর থেকে বেনাপোলের বর্ডার ক্রোস করে যশোর হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে ঢাকার গাবতলিতে আসে। সেখানে পূর্ব থেকেই অপেক্ষারত খাইরুল সুস্মিতাকে নিয়ে চলে যায় কুমিল্লায়, সেখানে দু’জন চার দিন অবস্থান করে। সেখানে বেশিদিন থাকতে না পেরে গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং এখানেও তিন দিন অবস্থান করার পর বিষয়টি জানাজনি হয়ে গেলে মিডিয়া পর্যন্ত সংবাদ পৌছে যায়।

এ বিষয় খাইরুলের মায়ের কাছে জানতে চাইলে সে প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করে, পরে খাইরুলের কাছে জানতে চাইলে সে বলে কোন মেয়ে আসেনিতো। যখন প্রশাসনের কথা বলা হয় তখন খাইরুলের মা পা জড়িয়ে ধরতে চায় এবং বলে ভাই কি করবো বুঝতে পারছিনা ছেলের সাথে ফেইজবুকে পরিচয়। বাড়ীর ঠিকানা বলছে কলকাতার বেলুর থেকে এসেছে, আমরা ওর বাবা মায়ের সাথে কথাও বলেছি তারা বলে সুস্মিতাকে জিজ্ঞাসা করেন ও যদি আসতে চায় তাহলে আমরা গিয়ে নিয়ে আসবো।

সুস্মিতার কাছে এবিষয় জানতে চাইলে সে বলে, না আমি ফিরে যাবোনা আমি এখানে থাকবো।কিভাবে পরিচয় জানতে চাইলে সে জানায় , ফেইজবুকে খাইরুলের সাথে আমার চার বছরের সম্পর্ক এবং ম্যাসেঞ্জারে ওর সাথে কথা হইতো এভাবে একে অপরকে ভালোবেসেছি। তুমি হিন্ধু আর খাইরুল মুসলিম এটা তুমি জানতে? সুস্মিতা বলে আমি সবই জানি। মুসলিম ছেলের সাথে একটি হিন্ধু মেয়ের বিয়ে হয় কিনা জানতে চাইলে সুস্মিতা বলে সমস্যা নাই আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হবো।

সুস্মিতা আরো বলেন, বাংলাদেশের কৃষ্টি কালচার সম্পর্কে আমি খাইরুলের কাছ থেকে সবকিছু জেনেছি। তাছাড়া খাইরুলের পরিবার সম্পর্কে সব কিছু জেনেই আমি বাংলাদেশে আসি। আমি খাইরুল কে বিয়ে করতে চাই, কলকাতায় ফিরে যাবোনা।

পরে এ রিপোর্ট লেখার পূর্বে পর্যন্ত খাইরুল এবং সুস্মিতা সম্পর্কে সর্ব শেষ তথ্য জানতে চাইলে খাইরুলের বোন বলে তারা কোথয় আছে আমরা জনিনা ওদের মোবাইল বন্ধ আছে বর্তমানে। খাইরুলের বাড়ির আসে পাশে খোজ নিয়ে জানা যায় তারা দুজনে গ্রামে কোথাও লুকিয়ে আছে।

মুজিববর্ষ