বরিশালে পলাশপুরের শুক্কুর ও চাঁদপুরার লিপি জনতার হাতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক! অতঃপর বরিশালে ১২কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী ডিবি পুলিশের খাঁচায়! বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্রের ঘুষিতে মৃত্যু গাড়ি চালকের বাকেরগঞ্জের ভরপাশায় অজ্ঞাত শিশুর মরদেহ উদ্ধার বরিশালে সেই রানা আবারো বেপরোয়া! বরিশালের চরামদ্দী ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে সিগন্যাল পেয়েছেন নতুন মুখ মঈন! দেখে নিন Woobay থেকে ইনকাম করার সব পদ্ধতি লাকি আক্তারকে প্রেম করে বিয়ে, তিন মাস পর স্ত্রীকে হত্যা যা করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হবে মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে পদ চান কাউন্সিলররা

বরিশালে বেরিয়ে এলো ৫০ বছর আগের সাদা কাফন পরা অক্ষত লাশ

প্রতীকি ছবি

বরিশালে ভোলার মনপুরায় নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়া কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৫০ বছরাধিক সময়ের পুরনো অক্ষত লাশ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদ সংলগ্ন গোরস্থানটি বেশিরভাগ অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মসজিদটিও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ফজরের নামাজের পর মুসল্লীরা অক্ষত লাশটি দেখতে পান। পরে কবর খুড়ে লাশটি উপরে তুলে আনেন স্থানীয়রা। লাশটি দেখে সবাই হতবাক হয়ে যান। লাশের পরনের কাপড়টি ধবধবে সাদা। বাঁধনসহ পুরো কাপড়টি এখনো শক্ত, মনে হয় যেন একদম নতুন।

স্থানীয় বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ ছালাউদ্দিন জানান, আমি কবর খুড়ে লাশটি উপরে তোলায় সাহায্য করেছি। আল্লাহতায়ালার কি রহমত, কবরের ভিতর গাছ-গাছালির অসংখ্য শিকড় থাকলেও লাশের গায়ে কোন আঘাত বা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেনি।

এদিকে অক্ষত লাশ পাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শতশত উৎসুক মানুষ ঐ মসজিদ প্রাঙ্গনে এসে ভীড় করেন। স্থানীয়রা ধারনা করেন, এই লাশ ৫০ বছরের অধিক সময়ের পুরনো হবে। পরে উত্তোলন করা এই লাশটিকে স্থানীয় উত্তর চর যতিন জামে মসজিদ সংলগ্ন গোরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে(ফেইসবুক) অভিব্যক্তি ব্যাক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেনে। মাও. মোঃ ইউনুস লিখেছেন, মনপুরা উপজেলাধীন হাজীর হাট ইউনিয়নের অধীনে চরজ্ঞান মসজিদের কাছে একটি লাশ দেখা যায়। ধারনা করা হচ্ছে ৭০ বছরের পুরনো কবর। কাপড় যেরকম ছিল, অবিকল সেরকম ছিল। গায়ে কোন দাগ নেই, এটা ঈমানের আলামত।

মোঃ আইয়ুব আলী লিখেছেন, আল্লাহর গোলাম কবরে গেলেও ঘুমায়, কোন জিনিস স্পর্শ করতে পারেনা। আল্লাহ যেন তাদের মাঝে আমাদেরও কবুল করে নেন, আমিন।

মুজিববর্ষ