চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুলারহাট বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

বরিশালে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে মানুষ, মাস্ক বিহীন অবাধে চলাফেরা

মোঃ শহিদুল ইসলাম:বরিশালে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে মানুষ। এমন কি জনসচেতনতা এড়িয়ে মাস্ক বিহীন অবাধে চলাচল করছেন অধিকাংস মানুষ সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সামাজিক দুরত্ব এবং, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আইন করা হলেও তা মানছেন না কেউ।এমন কি করোনা সতর্কতায় সন্ধা ৭ টার পর থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এতে করে আরও বাড়তে পারে করোনার ঝুঁকি।এদিকে করোনাভাইরাসে সারাদেশে প্রতিদিন আড়াই হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশে আক্রান্তের পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও ৫০ মধ্যে উঠা নামা করছে প্রতিনিয়ত। বরিশালে জেলায় এ যাবত করোনাভাইরাসে ২৩২৬ জন লোক শনাক্ত হয়েছেন। মৃত্যু বরন করেছেন ৪০ জন। আর ১৩৮১ জনের বেশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ও ফিরে গেছেন। জনসচেতনতা, স্বাস্থ্যবিধি, সামজিক দুরত্ব এবং অবাধে চলাচল দেখে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে মিশ্র-প্রতিক্রিয়া। জনসচেতনতা বাড়াতে দেখা নেই কোনো নজরদারীর । কতৃপক্ষের দায়িত্ব নিয়ে ও উঠছে নানা প্রশ্ন।এ ব্যাপারে নগরীর সচেতন মহল মনে করেন এখন তো আর লক ডাউন নেই,এ কারনে মানুষ অবাধে চলাচল করছে।কেউ মাস্ক পড়ছে কেউ পড়ছে না।আবার অনেকে মুখে না পড়ে গলায় রাখছে।এতে করে তো সমস্যা বাড়বে ছাড়া তো কমবে না।তাই সবাইকে বলবো রোগ মুক্ত থাকতে চাইলে মাস্ক ব্যবহারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নিজ নিজ উদ্যোগেই সচেতনতা বাড়িয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এমন অবস্থায় প্রশাসনের নজরদারি আরও বাড়ানো সহ তাদের কার্যক্রম অবহৃত রাখা উচিত।তা না হলে আক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তারা জানান।

এছাড়া বরিশাল জেলার উপজেলা প্রতিনিধিরা জানান, গ্রামগঞ্চের হাট বাজার গুলোতে সামাজিক দুরুত্বের কোন বালাই নেই।তারা এখনও বুজে না করোনা ভাইরাস কি? চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সবখানেই জড়ো হতে দেখা যায়।মাহিদ্রা,ম্যাজিক,অটো,আলফা সহ বিভিন্ন গনপরিবহনেও চাপাচাপি করে যাতায়াত করছে তারা।তারা আরও জানান কুরবানির গরুর হাটকে কেন্দ্র করে গ্রামঅঞ্চলের হাটগুলোতে ক্রেতাবিক্রেতাদের উপচে পড়া ভির লক্ষ করা যাচ্ছে।

গরুর হাটে আসা মানুষের মুখে মাস্ক ব্যবহার নেই বললেই চলে।

নগরীর বটতলা এলাকায় ঘুরে দেখা যায়।মাস্ক ছাড়া অভাধে চলাচল করছে লোকজন। তাদের সাথে কথা হলে জানান,সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে ভালো লাগছে না,আর মাস্ক ব্যবহার করলেই দম কাটকে যায়,আরেক জনে রেগে গিয়ে বলে, যার রোগ হবে। মাস্ক ব্যবহার করলেও হবে। যার হবে মাস্ক না পড়লেও হবে।

মুজিববর্ষ