চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুলারহাট বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হত দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ভোলার চরফ্যাশনে ৩মাসেও সোহাগের মৃত্যু রহস্য উদঘাটন হয়নি!

এম,নোমান চৌধুরী, চরফ্যাশন প্রতিনিধি॥
ঈদে মায়ের শাড়ি আসলো ঘরে সকালে সোহাগের লাশ মিলল শশুরলয়ের উঠানে। ঘটনাটি ঘটেছে চরফ্যাশনের আসলামপুর ও লালামোহনের লর্ডহাডিঞ্জ সীমান্তে আবাসন কলণীতে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ছেলের পিতা নুরে আলম ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের পূর্বের দিন ২৫মে/২০ ঈদুল ফিতরে নতুন শাড়ি ক্রয় করে বাড়ি ফিরল। শাড়ি দেখে মায়ের মুখে ফুটল হাসি, স্ত্রী শুরু করল ঝগড়া-ঝাটি। স্ত্রীর কথার তাচ্ছ্যিলে ঘর থেকে বের হয় স্বামী সোহাগ। ঈদের দিন কাক ডাকা ভোরে শশুরের ঘরের সামনে পাওয়া যায় লাশ। ছেলের বাবার দাবী আমার ছেলে সোহাগকে স্ত্রী রুমা, তার ভাই রুবেল, পাশবর্তী জাফর, শাশুরী হাজেরা গংরা পিটিয়ে হত্যার পর তারা এটিকে আত্মহত্যা করেছে বলে চালিয়ে দিয়েছেন।

সোহাগের পিতা নুরে আলম বলেন, এই ঘটনা লালমোহন থানা মামলা দিলেও পুলিশ মামলা গ্রহন করেনি। ৩মাস অতিক্রম হলেও পুলিশ প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তেমন কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পুলিশ লাশ ময়না তদন্ত করেছে। নিহত পরিবারের দাবী ময়না তদন্তের রির্পোটে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলাটি সিআইডির তদন্তের দাবী জানাচ্ছি।

এদিক পুলিশ বলেছে, লালমোহন থানা অপমত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আসলামপুর যুবলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন লাল্টু বলেন, লাশটি তরিগড়ি করে দাফন করাই সন্দের তীর হত্যার দিকে। তাই ঘটনাটি রহস্য জনক।

স্থানীরা বলেছেন, যেখানে যে গাছের সাথে রশি ঝুলানো, সেখান থেকে গলা রশি দিলে নিচে মাটিতে পা টানা পায়নি। তবে ঘটনাটি রহস্যজনক এবং প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন করা দরকার।
লালমোহন থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে আসছে ঈদুল আজহা ঈদুল ফিতরে ছিল পরিবারের মাঝে কান্না আজও সে কান্নাকাটি চলছে। পরিবার মামলাটি সিআইডির তদন্ত দাবী করছে।

মুজিববর্ষ