বরিশালে ৮৪ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালে স্বাস্থ্যবিধি মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, বাস ও যাত্রীকে জরিমানা বরিশালে বোরো ধান সংগ্রহ কার্ষক্রম-২০২০ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত অসুস্থ মোশারফ হোসেনকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র আর্থিক সহয়তা প্রদান নিষেধাজ্ঞা সত্বেও বরিশালে কিস্তি আদায়ে এনজিও গুলোর চাপ প্রয়োগ বরিশাল লঞ্চঘাটে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার তিনটি লঞ্চ ও ৫জন যাত্রীকে ১৪হাজার টাকা জরিমানা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বরিশাল পলাশপুরে ড্রেজার মামুনের বিয়ে বানিজ্য! বিয়ে পর অস্বিকার করলেন স্ত্রীকে উজিরপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবতির মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ বরিশালের পুলিশ সুপারসহ ২ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ!

ভোলায় বিদেশ ফেরত ১৩শ প্রবাসীর মধ্যে হোম কোয়ারেনটাইনে ৪২ জন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গত দু’সপ্তাহের ব্যবধানে ভোলায় ফিরেছেন প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন প্রবাসী।

বিদেশ ফেরত এসব প্রবাসীরা করোনা ঝুঁকিতে থাকায় সবাইকে ১৪ দিন করে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কিন্তু বুধবার (১৮ই মার্চ) পর্যন্ত ভোলা জেলায় মাত্র ৪২ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে। ফলে জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে, হোম কোয়ারেনটাইনের শর্ত ভঙ্গ করে বাইরে ঘোরাঘুরি করায় ভোলা সদর ও চরফ্যাশন উপজেলার তিন প্রবাসীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক।

অপরদিকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ভোলা শহরের এক যুবককে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সদ্য চালু করা করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বিকালে ভোলার স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভোলার সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালী জানান, ভোলার ৬ উপজেলায় এ পর্যন্ত ইতালি, ওমান, আবুধাবি, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, দুবাই ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৪২ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৫ জন, দৌলতখানে ১২, বোরহানউদ্দিনে ১৭ জন, তজুমদ্দিনে ৭ জন ও চরফ্যাশন উপজেলায় ১ জন রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা ৪২ জনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তাদের প্রত্যেককে আগামী ১৪ দিন বাড়ি থেকে বের না হতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ এ নির্দেশ না মানলে তাকে জেল জরিমানা করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, করোনা মোকাবেলায় সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আলাদা আইসোলেশন ইউনিট খেলা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলা গুলোতেও একইভাবে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। জেলার ৭ উপজেলায় ৯টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যেখান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সকল তথ্য আদান-প্রদান করা হবে। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে হটলাইন (০১৭১১-১৬৯২৬৫) চালু করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও জানান, যে সকল রোগী জ্বর, সর্দি, গলা ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালের দ্বারস্থ হবেন, তাদেরকে আলাদা স্ক্যানিং করার জন্য হাসপাতালে করোনা স্ক্যানিং সেন্টার খেলা হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক একজন ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুজিববর্ষ