বরিশালে ৮৪ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালে স্বাস্থ্যবিধি মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, বাস ও যাত্রীকে জরিমানা বরিশালে বোরো ধান সংগ্রহ কার্ষক্রম-২০২০ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত অসুস্থ মোশারফ হোসেনকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র আর্থিক সহয়তা প্রদান নিষেধাজ্ঞা সত্বেও বরিশালে কিস্তি আদায়ে এনজিও গুলোর চাপ প্রয়োগ বরিশাল লঞ্চঘাটে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার তিনটি লঞ্চ ও ৫জন যাত্রীকে ১৪হাজার টাকা জরিমানা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বরিশাল পলাশপুরে ড্রেজার মামুনের বিয়ে বানিজ্য! বিয়ে পর অস্বিকার করলেন স্ত্রীকে উজিরপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবতির মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ বরিশালের পুলিশ সুপারসহ ২ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ!

ভোলা লালমোহনে আসামী জামিনে আসার পর তাকে ফাঁসাতে মামলার বাদীনির নতুন কৌশল

ভোলা প্রতিনিধি : লালমোহনে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামী রাজীব জামিনে আসার পর তাকে ফাঁসাতে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী তানজিলা ও তার পরিবার ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। নিজেরাই নিজেদের ঘরে সিঁদ কেটে রাজীবকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, ২০১৮ইং সালের ১৪ মে লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে রাজিবের সাথে চরভুতা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের হাজির হাট এলাকার মোহাম্মদ হারুনের মেয়ে তানজিলার বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে তানজিলা নিজের খেয়ালখুশি মত চলাফেরা করে। মোবাইল ফোনে পরকিয়ায় ব্যস্ত থাকে। পরপুরুষের সাথে কথা বলতে নিষেধ করলে সে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। স্বামী ও শ্বাশুড়ির সাথে এবং পরিবারের অন্যান্যদের সাথে দুর্ব্যবহার করতে থাকে। স্বামীকে আলাদা হয়ে যেতে চাপ দেয়। কথায় কথায় সংসারে ঝামেলা সৃষ্টি করে। এসব বিষয়ে তানজিলার পরিবারের কাছে জানালে কোন ফয়সালা পায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী রাজীব ও তার পরিবার। তাহার এই অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করে বছর খানেক সংসার করার পর নিরুপায় হয়ে সমাজের গণ্যমান্যদের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৭ মে তালাক দেয়া হয়। এতে উভয় পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তালাকের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত মজলিসে তানজিলার সকল পাওনা দেনা বুঝিয়ে দেয়া হয়। এরপর হঠাৎ তানজিলা ও তার পরিবার কিছু লোকজন নিয়ে এসে রাজীবের বাড়িতে হামলা করে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবারটি। কিন্তু এতেও ক্ষান্ত হয়নি। অতঃপর তানজিলা ১১ জুলাই ২০১৯ ইং তারিখে মোকাম ভোলার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাজীব ও তার রাজীবের মা জাহানারা, বড় ভাই জিয়াউর রহমানকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। মামলা নং ৪৪৪। উক্ত মামলায় চলতি বছরের ১৬ই মার্চ আমি আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত জামিন দেন। রাজীব জানান, আমি জামিনে আসার পর আমাকে ও আমার পরিবার লোকজনকে ফাঁসাতে তানজিলা ও তার পরিবারের লোকজন তারা নিজেরাই নিজেদের ঘরে সিঁদ কেটে একটি নাটক সাজিয়ে লালমোহন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন,ওই ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার সম্পৃক্ত নয়।
মুজিববর্ষ