১০নং ওয়ার্ড আ-লীগের উদ্যােগে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন পালিত হুমকি বাস্তবে রুপ, শেষ পর্যন্ত রিয়াজের বাড়ি দখলে নিলো স্বীকৃত হত্যাকারী লিজা! বরিশালে ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে এখনই মাঠ গরম করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা বরিশাল কর্নকাঠিতে ভেকু মেশিনে নদী খাচ্ছে লোকমানের এম.এস.বি ব্রিকস! ভিডিও সহ বরিশালে পলাশপুরের শুক্কুর ও চাঁদপুরার লিপি জনতার হাতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক! অতঃপর বরিশালে ১২কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী ডিবি পুলিশের খাঁচায়! বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্রের ঘুষিতে মৃত্যু গাড়ি চালকের বাকেরগঞ্জের ভরপাশায় অজ্ঞাত শিশুর মরদেহ উদ্ধার বরিশালে সেই রানা আবারো বেপরোয়া! বরিশালের চরামদ্দী ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে সিগন্যাল পেয়েছেন নতুন মুখ মঈন!

মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে পদ চান কাউন্সিলররা

অনলাইন ডেস্ক:: ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের তোড়জোড় চলছে। এরই মধ্যে খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কমিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কমিটিতে পদ পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা। যদিও এই কমিটিতে দুই সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দলীয় পদে না রাখতে আগেই নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানিয়েছেন, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগে পদ পেতে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর লবিং তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও তাদেরকে কমিটিতে রাখা হবে না। তবে দক্ষিণ আওয়ামী লীগে কাউন্সিলরদের অনেকই দলীয় পদ পেতে জোর লবিং তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েকজন কমিটিতে থাকবেন।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগে সভাপতি পদে শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে এস এ মান্নান কচি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণে সভাপতি পদে আবু আহমেদ মন্নাফী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবির নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে সাত দিনের মধ্যে কমিটি গঠনের নির্দেশনা থাকলেও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া থমকে যায়। করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটলে আওয়ামী লীগের সম্পদকমণ্ডলীর এক সভা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এদিকে যারা সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন এবং যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তাদের মহানগরের পদে না রাখার নির্দেশনা দেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জানা গেছে, আসন্ন কমিটিতে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর জায়গা পেতে পারেন। উত্তরের তুলনায় দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সেই সংখ্যাটা বেশি। যদিও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বিষয়টি স্বীকার করছেন না। বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে পদ দিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই তদবির করছেন বলেও জানা গেছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি  বলেন, আমরা অনেক আগেই কমিটির একটি তালিকা দিয়েছি। সেটা নেত্রী যাচাই বাছাই করবেন। করোনার কারণে কমিটি গঠনে দেরি হয়েছে।

কাউন্সিলররা কমিটিতে জায়গা পাবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক কাউন্সিলর দলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত, তারা তো পদে আসতে চাইবেন। যদিও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। তবে নির্দেশনা ছিলো কাউন্সিলরদের বড় কোনো পদে না রাখা। সে অনুযায়ী আমরা তালিকা পাঠিয়েছি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণে সভাপতি পদে আবু আহমেদ মন্নাফী বলেন, আমাদের দলীয় গঠনতন্ত্র রয়েছে, সেই অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হবে। এখানে কোনো বিতর্কিতদের স্থান দেয়া হবে না। এজন্য আমরা বারবার যাচাই বাছাই করছি। যে কাউকে কমিটিতে জায়গা দেয়া হবে না।

মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগে কাউন্সিলরদের জায়গা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নিয়ে দলের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করবো। আমাদের মিছিল মিটিং করতে হয়, জনবলেরও দরকার আছে। অনেক কাউন্সিলর রয়েছেন তাদের বহু কর্মী আছে। আমাদের বিভিন্ন জনসভায় তারা আসেন। দলের জন্য অনেকেই নিবেদিত। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

 

মুজিববর্ষ