চাঁদপাশায় পূর্বের শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত – ৩ চরফ্যাসনে ইমামকে মারধরের অভিযোগে ফিরোজ হাজী আটক অসহায় নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঝালকাঠির চপলেরের বিরুদ্ধে মামলা ! বরিশালে নগরীতে আ’লীগ নেতার ভবনে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসা ! ডিবির অভিযানে আটক-৩, ২ নারী উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাংবাদিকদের জন্য প্রনোদনা বরিশালে সুষম বন্টন হওয়া উচিত ছিলো বরিশাল পলাশপুরে পিতা ধর্ষণ করলো মেয়েকে ! মঠবাড়িয়ায় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার পবিত্র ঈদ-উল আযাহা উপলক্ষে ১০নং ওয়ার্ডবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে যেন করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি না পায় এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে, বিএমপি কমিশনার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মৃতের শরীরে কতক্ষণ বাঁচে করোনাভাইরাস?

 অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি মারা গেলে তার দেহে ঠিক কত সময় ধরে সক্রিয় থাকতে পারে জীবাণু? বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে এই প্রশ্ন, একই সঙ্গে চলছে তুমুল বিতর্ক। এর বাইরে নয় বাংলাদেশও।

যদিও এ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এই অবস্থায় মৃত ব্যক্তির লাশ অনেকেই স্পর্শ করতে চাচ্ছেন না। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের দাফন হচ্ছে নীরবে, কম সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে। অনেক সময় এতে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তিদের লাশ দাফনে বাধা দিতেও দেখা গেছে।

ডব্লিউএইচও তাদের সর্বশেষ রিপোর্টে বলেছে, মারা যাওয়ার পর মানুষের শরীরে জীবাণুরা বেশিরভাগ সময়ই দীর্ঘ সময় জীবিত থাকে না।আরো খোলাসা করে বলেছেন, থাইল্যান্ডের মেডিকেল সার্ভিসের মহাপরিচালক স্যামসাক আকাসিলিফ। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ব্যাংকক পোস্টকে তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তি ভাইরাসে মারা যাওয়ার সাথে সাথে জীবাণুও মরে যায়। তাই অন্য ব্যক্তির শরীরে এটি সংক্রমণের সুযোগ কম।

আর এ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মোজাহেরুল হক বলছেন অন্য কথা। দীর্ঘ সময় বিশ্ব স্বা্স্থ্য সংস্থার হয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় কাজ করা এই চিকিৎসক মনে করেন, মৃত ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।বাংলাদেশে করোনার উপসর্গ নিয়ে কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর পরীক্ষা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। বলা হচ্ছে, আইইডিসিআরের পরীক্ষার আগেই ওই লাশের শরীরে থাকা ভাইরাস মারা যেতে পারে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যখন মহামারিতে গণহারে মানুষ মারা যায় তখন লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেয়ে কবর দেয়াই উত্তম।

তবে জনস্বার্থের জন্য গণকবর কোন সুপারিশকৃত বিষয় নয়। এতে প্রচলিত সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ আদর্শগুলো লঙ্ঘিত হতে পারে। তাই লাশ দাফনের সময় সামাজিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিত।

লাশ সৎকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটি বলেছে, কবরস্থান হতে হবে পানির উৎস, যেখান থেকে পানি পান করা হয় তার থেকে ৩০ মিটার দূরত্বে। আর পানির স্তর থেকে শূন্য দশমিক ৭ মিটার দূরত্বে হতে হবে কবরস্থান। সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

মুজিববর্ষ