জনপ্রতি ১২ কেজি পেঁয়াজ না নিলে দিচ্ছেন না তেল, চিনি ও ডাল! মুলাদীতে সার্চ,সৌল,সয়েল নামে শিল্পকর্মের উদ্যোগে ৪ দিন ব্যাপী ১০ জন তরুন কোন ঘোষনা ছাড়াই বরিশাল নগরীতে বাস চলাচল বন্ধ রাখলো পরিবহন শ্রমিকরা বরিশালে কলেজ ছাত্রী রিপার লাশ উদ্ধার বরিশালে মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে অটোগাড়ি চালকদের থানায় অবস্থান ঝালকাঠিতে ৪১ টি বেইলি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ! পোর্টরোড এলাকা থেকে ২৮৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক বিক্রেতা আটক বরিশালে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী বরিশালে থ্রিহুইলার ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৬

sarjan faraby

রোদ উঠলেই কাপড় ব্যবসায়ীদের মন খারাপ

দিনাজপুর প্রতিনিধি :: দিনাজপুরে পুরাতন শীতের মোটা কাপড়ের বাজার জমে উঠেছে। শীত যতই বাড়ছে, পুরাতন কাপড়ের মার্কেট ততই জমজমাট হচ্ছে।

দিনাজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন গোর এ শহীদ বড় ময়দানের পুরাতন শীতের কাপড়ের অস্থায়ী মার্কেট এখন জমজমাট। এই মার্কেটে ৩ শতাধিক পুরাতন কাপড়ের দোকান গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন শত শত নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্থরের ব্যক্তিরা এসব পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছে।

অল্প দামে শীতের কাপড় কিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে সাধারণ মানুষ। শীত যতই বৃদ্ধি পায়, এই মার্কেটের বিক্রি ততই বাড়ে। রোদ উঠলেই পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ীদের মন খারাপ হয়ে যায়, কাপড় বিক্রি কমে যায়। আর যেদিন ঠান্ডা আর কুয়াশায় ঢাকা থাকে চারদিক, সেদিন বিক্রি হয় বেশি।

পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ীরা বলছে, এ বছর প্রতিটি শীতের কাপড়ের গাইডের দাম গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

পুরাতন কাপড়ের মার্কেট, দিনাজপুর পুরাতন শীতের কাপড় কিনতে আসা মোমেনা বেগম বলেন, পরিবারের এক ছেলে আর এক মেয়ের জন্য শীতের কাপড় কিনেছি। এখানে অল্প টাকায় পছন্দমতো শীতের কাপড় কেনা যায়। আমাদের মতো গরীব মানুষেরা এখানে এসেই কাপড় কিনে থাকি।

আসাদুল মোল্লা বলেন, আমাদের মতো গরীব মানুষেরা নতুন কাপড় ক্রয় করতে পারছি না। নতুন কাপড়ের দাম অনেক, তাই পুরাতন কাপড়ের মার্কেটে এসেছি। আমার জন্য সোয়েটার, ছেলের জন্য ব্লেজার কিনেছি। পরিবারের জন্য গড়ম কাপড় কিনবো। এখানে অনেক কম দামেই কাপড় পাওয়া যায়, তাই ভিড় লেগেই থাকে।

পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, গত বছর জ্যাকেটের গাইড ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় কিনতে পারতাম। এ বছর কিনতে হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। ফলে আমাদেরকেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাই বছর বিক্রি অনেক কম।

দোকানদার মনিরুল ইসলাম বলেন, এ বছর ছোটদের কাপড়ের গাইড গত বছর তুলনায় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা বেশিতে কিনতে হয়েছে।

পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী ফজর আলী বলেন, ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি দামে এ বছর মেয়েদের সোয়েটার, ট্রাউজার কিনতে হয়েছে। তাই আমরাও একটু বেশি দাম চাইলে ক্রেতাদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে হচ্ছে। বিক্রিও কমে যাচ্ছে।

মুজিববর্ষ