বরিশালে ৮৪ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বরিশালে স্বাস্থ্যবিধি মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, বাস ও যাত্রীকে জরিমানা বরিশালে বোরো ধান সংগ্রহ কার্ষক্রম-২০২০ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত অসুস্থ মোশারফ হোসেনকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র আর্থিক সহয়তা প্রদান নিষেধাজ্ঞা সত্বেও বরিশালে কিস্তি আদায়ে এনজিও গুলোর চাপ প্রয়োগ বরিশাল লঞ্চঘাটে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার তিনটি লঞ্চ ও ৫জন যাত্রীকে ১৪হাজার টাকা জরিমানা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বরিশাল পলাশপুরে ড্রেজার মামুনের বিয়ে বানিজ্য! বিয়ে পর অস্বিকার করলেন স্ত্রীকে উজিরপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবতির মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ বরিশালের পুলিশ সুপারসহ ২ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ!

সাপানিয়ায় আতংকের আরেক নাম হাদিস মীর!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানাধীন সাপানিয়া এলাকার খালেক মীরের ছেলে হাদিস মীর বরিশাল শহরতলীর একাংশে প্রভাব বিস্তার করে নিজেকে “মূর্তিমান আতঙ্ক” রূপ দিয়েছে বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে গত প্রায় দেড় বছর যাবৎ কোন অদৃশ্য শক্তির বলে প্রতিপক্ষদের দমনে নিজের ক্ষমতা ব্যাবহার করছে পেশীশক্তির পাশাপাশি প্রশাসনিক সহায়তায় ভিবিন্ন ধরনের অপকর্ম করে বেরাচ্ছেন হাদিস মীর। তবে, এবার একটি জমি দখল দিতে প্রকৃত মালিক ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করে এবং তাদের পৈত্তিক সম্পত্তি জবর দখল করার পায়তারা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত কয়েকদিন ধরে চলমান এই ঘটনায় কেউ কোনো শব্দ করছে না বিধায় বিষয়টি এক প্রকার ধামাচাপার মতোই ছিলো অজানা। কিন্তু কাউনিয়া পুলিশের ভ’মিকায় চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের সাপানিয়া এলাকার এই ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, শনিবারের ঘটনায় হাদিস মীর একাই নয়, তার বাবা খালেক মীরসহ অপর দুই ভাই আলামীন ও আজমল রীতিমতো ত্রাস সৃষ্টি করেছিলো একটি জমিকে কেন্দ্র করে। সাপানিয়া এলাকার শরিফ বাড়ীর জামাল শরীফের পৈতৃক একখন্ড সম্পত্তি মীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জোর পূর্বক দাবী করে আসছে। বিশেষ করে গত প্রায় বছর খানেক ধরে হাদীস মীরের বাবা ঐ সম্পত্তি নিজেদের দাবীতে আরও শক্ত অবস্থান নেয়।
জানা গেছে, এনিয়ে আদালতে একটি মামলার প্রেক্ষাপটে বিচারক ঐ সম্পত্তির কাছে কোনোপক্ষ যেনো না যায়, সে লক্ষ্যে একটি নোটিশ সাইনবোর্ড আকারে সেখানে বসানো হয়। দুই-একদিনপূর্বে কোনো একসময় সেই সাইনবোর্ড রাতের আধারে কে বা কারা উপড়ে ফেলে। মৃত মোবারক শরিফের ছেলে জামাল শরীফ সন্দেহবশত মীর পরিবারের কাছে বিষয়টির কারন জানতে চায়। ধারনা করা হচ্ছে, দীর্ঘ বিরোধের মাঝে এই কৈফিয়ত চাওয়ায় তারা আরও ক্ষুদ্ধ হয়। গত ১৬ মে শনিবার সন্ধ্যার কিছুপূর্বে বাড়ির দক্ষিণ পাশের সড়কের উপর জামাল শরীফ ও তার স্ত্রী শামীমা আক্তার রুমা দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় আচমকা হামলার শিকার হন। পরিবারিক উদ্যোগে আহতদের তাৎক্ষণিক শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সম্পূন্য ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিজের ও নিজের পরিবারের জান/মালের নিরাপত্তা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহোযগীতা চেয়ে ভুক্তভুগী জামাল শরিফ গত ১৮ই মে বরিশাল (বি,এম,পি) পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি আবেদন করেন। অসহায় ভুক্তভুগী জামাল হোসেনের আকুতি দ্রুত যেন বিষয়টি প্রশাসেনের উর্দ্বতন কতৃপক্ষ নজর দেয়। এবং সকল অপকর্মের মূল হোতা হাদিস মীরের বিষয়ে যেন আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করে।

 

মুজিববর্ষ