আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের পর পাকিস্তানের করাচি শহরে মার্কিন কনস্যুলেটকে কেন্দ্র করে সহিংস বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শনিবারের হামলার পর রোববার শত শত ইরানপন্থী বিক্ষোভকারী কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানায় বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।
পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলেন, বিক্ষোভকারীদের অনেকে কনস্যুলেট ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুড়ছে এবং পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করছে।
বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। উদ্ধার সংস্থার সদস্যরা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
ইদি ফাউন্ডেশন-এর মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে আটটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। কয়েকজন বিক্ষোভকারী কনস্যুলেট কম্পাউন্ডে ঢুকে জানালা ও দরজার কাচ ভাঙার চেষ্টা করে। ভবনের কিছু অংশে আগুন লাগানোর অভিযোগও উঠেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইরান বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এমন কিছু ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগ করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, খামেনি হত্যার দাবিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং এর প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
