আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ খামেনি হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন আটলান্টিক কাউন্সিল–এর উপদেষ্টা হারলান উলম্যান। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ডিক্যাপিটেশন’ কৌশল প্রায়ই উল্টো ফল দেয় এবং ইরানের ক্ষেত্রে তা আরও ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া ডেকে আনতে পারে।
উলম্যানের ভাষ্য, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ফলে তাকে শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা ইরানের প্রতিরোধশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করবে। তিনি সতর্ক করেন, আলী লারিজানির মতো অভিজ্ঞ নেতার হাতে ক্ষমতা গেলে তেহরান আরও কঠোর অবস্থান নেবে।
তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর যে নমনীয়তা দেখা গিয়েছিল, ইরানে তেমনটি ঘটার সম্ভাবনা নেই। বরং অসম্পূর্ণ নেতৃত্ব নির্মূল ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আইআরজিসি ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, অভিযান দ্রুত শুরু হবে এবং ইরানি জাতির প্রতিশোধ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। দেশটিতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দাবি করেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে নিখুঁত অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের সেনা ও গার্ড বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ করতে আগ্রহী নন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে।
