1. gazia229@gmail.com : admin :
ধর্ষণ মামলায় ঝালকাঠির ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে - BarishalNews24
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

ধর্ষণ মামলায় ঝালকাঠির ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রতিবেদক:
  • প্রকাশকাল: বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৮৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ঝালকাঠির জেলার নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চু (৪৫) কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৬ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে জামিন আবেদন করলে নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক জেলা ও দায়রা জজ রাশেদ কবির। ঝালকাঠি আদালতের (এপিপি) বনি আমীন বাকলাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলগাঁও থানায় নারী ও শিশুনির্যাতন দমন আইনে ইউপি চেয়ারম্যান বাচ্চু ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষনের শিকার তরুণী (১৯) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামের দরিদ্র কৃষকের সন্তান নির্যাতিত ওই তরুণী বর্তমানে পরিবারসহ ঢাকার ফতুল্লাহ বসবাস করে লোখাপড়ারপাশাপাশি নারায়নগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করছিল। প্রায় ৭/৮মাস পূর্বে নলছিটি উপজেলা আওয়াী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুলকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম আক্তারুজ্জামান বাচ্চু তার ইমুতে ফোন করে। বিভিন্ন কথার এক পর্যায়ে তার নিজের একটি বড় এনজিও রয়েছে জানিয় এবং সে চাইলে একই ইউনিয়নের মেয়ে হিসাবে তাকে একটা ভালো চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাগজপত্র গুছিয়ে রাখতে বলে।

চেয়ারম্যান বাচ্চুর কথা অনুযায়ী সে কাগজ পত্র নিয়ে গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ইং তারিখ বিকালে তাকে ঢাকার গুলিস্থানে দেখা করলে হেডঅফিসে নেয়ার কথা বলে একটি প্রাইভেট কাওে উঠিয়ে দক্ষিন বনশ্রী ৯/২ নাম্বার রোডেরব্লক-ই, বাসা নং-১২৩ (পারোয়ারীবাড়ী) নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থানরত মোর্সেদা বেগম নামে এক নারীর সহায়তায় চেয়ারম্যান বাচ্চু তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ও ভিডিও চিত্র ধারন করে কোন বারাবারি করলে সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিলে ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখে।

পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি চেয়ারম্যান বাচ্চু ফোন করে পুনরায় সেই বাসায় আসতে বলে অন্যথায় আজকেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবো বলে ভয় দেখালে নিরু পায় হয়ে সেই বাসায় গেলে সেখানে আটকে ধর্ষন করে। ৭ জানুয়ারী সকালে সেখান থেকে একই হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণের কয়েকদিন পর নির্যাতিতা তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি চেয়ারম্যান বাচ্চু কে জানানোর পর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গর্ভপাত করান।

এরপর থেকে বিয়ের জন্য অনুরোধ করলে সে নানা রকম ছলচাতুরী শুরু করে পুনরায় তাকে সেই বাসায় দেখা করার জন্য জোরাজুরি শুরু করে। বাধ্য হয়ে অসহায় তরুণী পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানিয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাজধানী খিলগাঁও থানায় আ.লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও সহযোগী মোর্শেদা বেগমের (৩৫) বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে নারী ও শিশুনির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-২২/১১২) দায়ের করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© 2021 - All rights Reserved - BarishalNews24
Bengali Bengali English English