1. gazia229@gmail.com : admin :
নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় হারালেন চাকরি, তালাক দিলেন স্বামী - BarishalNews24
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় হারালেন চাকরি, তালাক দিলেন স্বামী

প্রতিবেদক:
  • প্রকাশকাল: বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৯৩ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক::

নৌবিহারে গিয়ে পুরুষ সঙ্গীদের সঙ্গে নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর চাকরি হারিয়েছেন এক নারী শিক্ষিকা। শুধু তাই নয় ওই ঘটনার জেরে ওই শিক্ষিকার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছেন। তবে তুচ্ছ কারণে এতো কাণ্ড হওয়ার পর ওই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়িয়েছেন নারী অধিকারকর্মীরা।

মিসরে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয়য়া ইউসুফ নামে ওই শিক্ষিকা নীলনদে নৌবিহারে যান। সেখানেই ওই নাচের ভিডিও ধারণ করা হয়। তবে তিনি মোটেও অশ্লীল পোশাকে ছিলেন না বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজে, তাকে মাথায় হিজাব এবং ফুলহাতা জামা পরে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে।
মিসরের ডাকাহলিয়া প্রদেশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরবি শিক্ষিকা ছিলেন।

এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের আয়য়া জানান, এক অসৎ লোকের ধারণ করা ওই ভিডিওর জন্য আমার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। ওই ব্যক্তি আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। এমনভাবে ক্যামেরা যেন আমার বাজে আচরণ প্রকাশ পায়।

অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করার জন্য ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ওই ঘটনায় ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মিসর জুড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। টুইটারে এক ব্যক্তি লিখেছেন, মিসরে শিক্ষার মান একদম নিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে। আরেকজন লিখেছেন, শিক্ষকদের অনুকরণীয় মনে করা হয়। এই ঘটনা খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল।

মিসর জুড়ে বিতর্ক চললেও নারী অধিকারকর্মীরা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আয়য়াকে তথাকথিত ‘ডাইনি শিকারের’ ভিকটিম বলে অভিহিত করেছেন।

তার সমর্থনে এজিপশিয়ান সেন্টার ফর ওম্যান রাইটসের প্রধান ড. নিহাদ আবু কুসমান নিজে থেকে তাকে মামলা করার ব্যাপারে সাহায্য করতে চেয়েছেন। অন্যদিকে মিসরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক মেয়ের বিয়েতে তার নাচের ছবি শেয়ার করেছেন।

আয়য়ার প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাকে নতুন একটি স্কুলে আরবি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে অনুভূতি প্রকাশ করে আয়য়া বলেন, আমাকে আমার কাজে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ডাকাহলিয়ার শিক্ষা অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে মনে হচ্ছে যে আমার জীবনের একটি অংশ তার নিজস্ব গতিতে ফিরে আসতে শুরু করেছে এবং আমার মর্যাদার অংশটিও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© 2021 - All rights Reserved - BarishalNews24
Bengali Bengali English English