1. gazia229@gmail.com : admin :
ভোলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, চড়া দাম হাঁকাচ্ছে বিক্রেতারা - BarishalNews24
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

ভোলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, চড়া দাম হাঁকাচ্ছে বিক্রেতারা

প্রতিবেদক:
  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় জমে উঠেছে পশুর হাট। প্রতিদিন হাজার হাজার দেশীয় গরু-ছাগল নিয়ে বিক্রেতারা আসছেন এসব হাটে। বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর পশু মোটাতাজা করায় অধিক খরচ হলেও গত বছরের চেয়ে কম দাম চাওয়া হচ্ছে পশুর। এরপরও ক্রেতারা দাম শুনে চলে যাচ্ছেন। এতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকিয়ে বসে রয়েছেন। তাই সামর্থ অনুযায়ী গরু-ছাগল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

ভোলা সদরের কয়েকটি পশুর হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি পশুর হাটে বিপুল পরিমাণ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির জন্য হাটে নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। এছাড়া হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বেচাকেনা করতে দেখা গেছে বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

বিক্রেতা মো. আমির হোসেন, বাবুল মিয়া ও মো. বশির জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর দেশীয় পদ্ধতিতে আমরা গরু, মহিষ ও ছাগল মোটাতাজা করতে অনেক টাকা খরচ করেছি। তাই কোরবানির হাটে পশুগুলোর দাম একটু বেশি রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি গরুর দাম দেড় লাখ চাই তাহলে ক্রেতারা তার দাম বলেন ৮০-৯০ হাজার, আর যদি এক লাখ টাকা চাই তাহলে ক্রেতারা বলেন ৬০-৭০ হাজার। কোনো কোনো ক্রেতা দাম বেশি দিয়ে কিনে নেন। আবার কিছু ক্রেতা দাম শুনে চলে যান।

তারা আরো জানান, বেশি দামে বিক্রি করতে না পারলে তাদের অনেক লোকসান গুনতে হবে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

ক্রেতা মো. রুবেল, মো. ইব্রাহীম, মো. মাহাবুব ও মো. আবুল বাশার জানান, কোরবানির পশু কেনার জন্য হাটে এসেছেন। কিন্তু বিক্রেতারা গত বছরের চেয়ে এ বছর পশুর দাম অনেক বেশি চাচ্ছেন। ফলে সামর্থ অনুযায়ী, পশু কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তারা আরও জানান, আরও এক-দুইদিন হাটে যাবো। যদি দাম কিছুটা কমে তাহলে ভালো, নাহলে বেশি দামেই কিনতে হবে।

সদরের ধনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ধনিয়া বালিয়াকান্দি মসজিদ সংলগ্ন পশুর হাটের পরিচালক মো. দুলাল বলেন, বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ হাটে ৮০টি গরু ও ৫০টি ছাগল বিক্রি হয়েছে। আমাদের এ পশুর হাটে কোনো খাজনা আদায় করা হয় না। তাই এ হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সমাগম বেশি। এছাড়াও খাজনা না নেয়ায় হাটে পশুর দামও কম রয়েছে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোলার সাত উপজেলায় ৯৩টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। কোরবানির পশুর হাটে জেলায় ২২টি ভেটেনারি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। কেউ অবৈধ উপায়ে মোটাতাজা করা ও অসুস্থ গরু নিয়ে আসলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© 2021 - All rights Reserved - BarishalNews24