1. gazia229@gmail.com : admin :
মশার আক্রমনে অতিষ্ঠ বরিশাল নগরবাসী - BarishalNews24
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

মশার আক্রমনে অতিষ্ঠ বরিশাল নগরবাসী

প্রতিবেদক:
  • প্রকাশকাল: শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

জুবায়ের ইসলামঃ মশা মারতে কামানের ব্যবহার কথাটা হাস্যকর মনে হলেও বরিশাল নগরবাসীর কাছে যেন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। শুকনো মৌসুমেই যদি মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করে তাহলে বর্ষাকালে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়তো কামানের মতো বড় কোন অস্ত্র ব্যবহার করতে হবে। বর্তমান সময়ে করোনার চেয়েও মশার আক্রমনে বেশি আতঙ্কিত নগরবাসী।

রাস্তাঘাট, বাড়ির আঙ্গিনা, অফিস- আদালত, হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমাসহ প্রতিটি জায়গায় যেন চলছে মশার রাজত্ব। দিন দিন মশার উৎপাত এতোটাই বৃদ্ধি পেয়েছে এখন মন হয় ঔষধের পরিবর্তে কামানের ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়েছে। কর্ম ব্যস্ততা শেষ করে মানুষ বাসায় ফেরার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত যেন মশার আক্রমণ সর্বত্র।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার আক্রমন যেন চরম আকার ধারণ করেছে। করোনা ভাইরাস দেখা যায় না, কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার কিছু দিন পর সেটা অনুভব করা যায়। সেই অদেখা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশে সকল দপ্তরে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করে যাচ্ছে। পক্ষান্তরে যে জিনিস সরাসরি দেখা যায় ও আক্রমণ করার সাথে সাথেই মানুষ অনুভব করে সেই মশা নিধন করতে কর্তৃপক্ষ এতো উদাসীন কেন।

নগরীর সবচেয়ে বেশি আক্রমণের তালিকায় রয়েছে কাউনিয়া, পলাশপুর, ভাঁটিখানা, আমানগঞ্জ, নতুনবাজার, নথুল্লাবাদ, রুপাতলী, সদর রোড, বটতলা, বাজার রোড, বাংলা বাজার, পোর্ট রোড, সাগরদী, হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা, চাঁদমারসহ বিভিন্ন এলাকা। এছাড়াও ছুটির দিনে নগরীর ত্রিশ গোডাউন, বেলসপার্ক, শিশু পার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্কসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে গেলে মনে হয় মশা যেন সেখানেই চাষ করা হয়। মশার আক্রমন থেকে বিত্তশালীরা নানান উপায় ব্যবহার করে কিছুটা পরিত্রাণ পেলেও সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির মানুষ।মশার কয়েল, স্প্রে আর মশারী ব্যবহার করে কতক্ষণ মশার প্রকোপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সেটা একটি বড় প্রশ্ন ।

দিনের বেলায় মশার উপদ্রব কিছুটা স্বাভাবিক মনে হলেও রাতের চিত্র যেন সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষের উপর মশা এতো পরিমান আক্রমণ করে দেখে মনে হয় যেন মশার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মশা নিধনে দীর্ঘদিন যাবত কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করার ফলে এটি এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। বর্ষা মৌসুমে এই মশাই ডেঙ্গু নামক জ্বরে কাপিয়ে দেয় পুরো দেশ। সময় মতো পদক্ষেপ গ্রহণে অনেক বড় আঘাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব।

আমরা মশা নিধনে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অন্য এক বাসিন্দা বলেন,, মশা নিধনে কর্তৃপক্ষের কেমন যেন নিরবতা দেখা যাচ্ছে। সময় থাকতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মহামারী পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনে মাঝে মাঝে দুই একজন লোক আসলেও সেটা তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। নাম মাত্র ঔষধ ছিটিয়ে চলে যায় এবং ঔষধ প্রয়োগ করার পরেও মশা নিধনে তেমন কোন পরিবর্তন দেখা যায় না। এভাবে লোক দেখানো কাজ করে মশা নিধন করা সম্ভব নয়। আমরা মশা নিধন করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© 2021 - All rights Reserved - BarishalNews24
Design and Developed by Sarjan Faraby