ঢাকাশনিবার , ১৩ জুন ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাজেটে সবার প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর দাবি সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদন
জুন ১৩, ২০২৬ ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত কর-সুবিধা রাখা হয়েছে, যা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত বাজারমূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। ফলে বৈধ লেনদেনও অনেক সময় কর জটিলতায় পড়ে। গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য এমন ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রকৃত লেনদেনের প্রমাণ দেখিয়ে নিয়মিত কর ও ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে আয় প্রদর্শন করা যায়।

এবারের বাজেটে একই ধরনের সুবিধা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে। প্রকৃত মূল্য গোপন না করে ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ থাকবে। তবে এ নিয়ে আপত্তি থাকলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মৌজা রেট নির্ধারণে একটি কমিটি কাজ করছে।

ব্যাংকিং খাত নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংকে সরকারের বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো অবৈধ হস্তক্ষেপ নেই। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনায় নিয়মবহির্ভূত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন গুজবেরও ভিত্তি নেই।

তিনি জানান, আমানতকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনীয় তারল্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আগামী দুই-এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে গভর্নর বলেন, বিশ্বব্যাপী এ ধরনের অর্থ উদ্ধারে সময় লাগে। সফলতার হারও কম। তবে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ শনাক্ত ও ফেরত আনার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জ্বালানি খাত নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বৈশ্বিক সংকট ও হরমুজ প্রণালির জটিলতা সত্ত্বেও দেশে বর্তমানে জ্বালানি ঘাটতি নেই। তবে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া রয়েছে, যা ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে।

তিনি জানান, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে বাপেক্সকে সক্রিয় করা হয়েছে এবং সমুদ্র ও স্থলভাগে নতুন অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

ক্যাপাসিটি চার্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে এটি বন্ধ করলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিতে পারে। তাই বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সরকারের মতে, নতুন বাজেটের লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কর ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করা, ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।