ঢাকাবুধবার , ১১ মার্চ ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সীমিত হামলায় ধ্বংসযজ্ঞ বাড়াতে ইরানের ক্লাস্টার অস্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন
মার্চ ১১, ২০২৬ ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ বা গুচ্ছ বোমার ব্যবহার নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান নিয়মিতভাবে এই বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার করছে।

ক্লাস্টার বোমা এমন এক ধরনের অস্ত্র যা আকাশ বা ভূমি থেকে নিক্ষেপের পর বাতাসে বিস্ফোরিত হয়ে শত শত ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে দেয়। এগুলো ‘সাবমিউনিশন’ বা ‘বোম্বলেট’ নামে পরিচিত এবং বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত ট্যাংক, সামরিক যানবাহন ও সেনাদল ধ্বংস করার জন্য এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

তবে অনেক সময় এসব ছোট বিস্ফোরক বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে এবং পরে ল্যান্ডমাইনের মতো আচরণ করে। ফলে যুদ্ধ শেষ হওয়ার বহু বছর পরেও সাধারণ মানুষের জন্য এগুলো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এমন কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, যেগুলোর ওয়ারহেডে গুচ্ছ বোমা সংযুক্ত ছিল।

ইসরায়েলের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক ইয়েহোশুয়া কালিস্কি বলেন, ইসরায়েলের অ্যারো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে সক্ষম হলেও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হওয়ার আগেই যদি বিস্ফোরকগুলো ছড়িয়ে পড়ে, তখন সেগুলো আটকানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়।

মঙ্গলবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন রুস্তম গুলমোভ ও আমিদ মুর্তুজোভ, দুজনই পেতাহ তিকভা শহরের বাসিন্দা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিটি ওয়ারহেডে সাধারণত ২০ থেকে ২৪টি বোম্বলেট থাকে। এগুলোর ওজন তিন কেজিরও কম এবং বড় স্থাপনার চেয়ে মানুষ, গাড়ি বা দোকানের মতো ছোট লক্ষ্যবস্তুর ওপর বেশি ক্ষতি করে।

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের ইয়েহুদ, অর ইয়েহুদা, হোলোন ও বাত ইয়ামসহ অন্তত ছয়টি এলাকায় এসব বোমা আঘাত হেনেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বড় আকারের সমন্বিত হামলায় সীমাবদ্ধতার কারণে ইরান এখন কমসংখ্যক কিন্তু শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ক্লাস্টার বোমার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটানোর চেষ্টা করছে।

সূত্র : এপি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।