ঢাকাবুধবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সৌর প্যানেল ও ব্যাটারির বর্জ্যে নতুন বিপদ

নিজস্ব প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ৪:৫২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ মুঠোফোন, কম্পিউটার ও টেলিভিশনের পাশাপাশি দেশে এবার সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি বর্জ্যও বড় পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে। গত এক দশকে সোলার হোম সিস্টেম, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। এসব যন্ত্রের গড় আয়ুষ্কাল ১৫ থেকে ২৫ বছর হওয়ায় ধীরে ধীরে বিপুল পরিমাণ সোলার প্যানেল ও ব্যাটারি মেয়াদোত্তীর্ণ হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্রিস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশের ক্লাইমেট সেন্টারের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে দেশে স্থাপিত সোলার পিভি সেল থেকে অদূর ভবিষ্যতে প্রায় ৩৩ হাজার ২০৫ টন ই-বর্জ্য তৈরি হতে পারে। সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা থাকলে এসব বর্জ্য থেকে ২৪ হাজার ৪৬৮ টন কাচ, ২ হাজার ৬৫৬ টন অ্যালুমিনিয়াম, ১ হাজার ৪০৪ টন সিলিকন এবং প্রায় ৫০ টন তামা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। কিন্তু কার্যকর রিসাইক্লিং ব্যবস্থা না থাকায় বর্জ্যে থাকা ভারী ধাতু বিপজ্জনক বিষে পরিণত হচ্ছে।

একইভাবে বৈদ্যুতিক যানবাহন ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যবহার বাড়ায় লিথিয়াম-আয়ন ও লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির বর্জ্যও দ্রুত বাড়ছে। এসব ব্যাটারি সংগ্রহ, পরিবহন ও পুনর্ব্যবহারে মানসম্মত নীতিমালা বাস্তবায়নের ঘাটতি রয়েছে। অনেক পুরোনো ব্যাটারি খোলা জায়গায় ফেলে রাখা কিংবা ঝুঁকিপূর্ণভাবে গলানো হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে দেশে প্রতি বছর ই-বর্জ্য ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০৩৫ সাল নাগাদ বছরে ৪৬ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হতে পারে। ২০১৮ সালে বছরে ৪ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হওয়ার তথ্য ছিল, যার মাত্র ৩ শতাংশ রিসাইক্লিং হয়।

পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন স্ক্র্যাপ মার্কেট ও অস্থায়ী কারখানায় খোলা জায়গায় বর্জ্য পুড়িয়ে, অ্যাসিড ব্যবহার করে বা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে মূল্যবান ধাতু বের করা হচ্ছে। ফলে শ্রমিকদের পাশাপাশি পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। ই-বর্জ্যে থাকা সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়ামসহ বিভিন্ন রাসায়নিক মাটি ও পানিতে মিশে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। এতে শ্বাসযন্ত্র, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, স্নায়ু, মূত্রতন্ত্র ও প্রজনন ব্যবস্থায় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে; সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে গর্ভবতী নারী ও শিশুরা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার জানান, বর্তমানে ই-বর্জ্য সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গেই ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। তবে কোরিয়ান কোম্পানির সঙ্গে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার রিসোর্স রিকভারি সেন্টার নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। এমআরএফ প্রযুক্তিতে বর্জ্য আলাদা করে প্লাস্টিক থেকে তেল, জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট ও বায়োগ্যাস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং চলতি মাসে নির্মাণকাজ শুরুর কথা রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।