ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনীতিকরণ করা কোনো সভ্য সমাজের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না; বরং এগুলোকে মুক্ত ও সৃজনশীল পরিবেশে বিকশিত হতে দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের হাতে পদক তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তিনি মনে করেন, গুণীজনদের কর্মময় জীবন ও অবদান সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা রাষ্ট্রের একটি পবিত্র দায়িত্ব।
তিনি একুশে পদকের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাতির অস্তিত্বের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এই সম্মাননা সেই ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের তাৎপর্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মাস আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয় এবং আমাদের আত্মপরিচয়কে আরও দৃঢ় করে। ভাষা শহীদদের স্মরণ করে তিনি তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
তারেক রহমান আরও বলেন, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনই একটি জাতির অগ্রগতির চালিকাশক্তি। তাই তরুণদের শিল্প, সাহিত্য, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
