ডেস্ক রিপোর্ট ॥ সেনাবাহিনীকে ভিন্ন কাজে যুক্ত করলে তাদের মূল দায়িত্ব ব্যাহত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যদি সেনা সদস্যরা নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করেন, তাহলে অনেক বিষয়ের উত্তর পাওয়া সম্ভব।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্বজন ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনী রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন থাকবে, তবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবে না—এটাই হওয়া উচিত পেশাদার বাহিনীর মূল নীতি। সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সাংগঠনিক শক্তি অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন, সেনাবাহিনীর কিছু বিধিমালা সংস্কার এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের দেওয়া বিভিন্ন সুপারিশের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
ওই কমিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি কখনো সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। সেনাবাহিনীর মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করেই রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে বিশ্বাস করে বিএনপি।
মতবিনিময় সভায় পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাদের আত্মত্যাগ রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করার দাবি উঠে আসে।
