ঢাকাশনিবার , ২০ জুন ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার

আকাশ প্রতিরক্ষায় বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ জে-১০সিই, উদ্বিগ্ন ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদন
জুন ২০, ২০২৬ ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ বাংলাদেশের বিমান প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে চীনের তৈরি ২০টি জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রায় ২ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ঘিরে ভারতীয় নীতিনির্ধারক ও প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়ন পরিকল্পনা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর আওতায় নেওয়া এই উদ্যোগের লক্ষ্য পুরোনো এফ-৭ ও মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের পরিবর্তে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা। এর মাধ্যমে আকাশ প্রতিরক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তা এবং কৌশলগত প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমান ক্রয়ের আলোচনা ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গতি পায় এবং পরবর্তী নির্বাচিত সরকারও তা অব্যাহত রাখে। চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিমান সরবরাহের পাশাপাশি পাইলট ও কারিগরি কর্মীদের প্রশিক্ষণ, দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ, লজিস্টিক সহায়তা এবং আধুনিক অস্ত্রব্যবস্থা সরবরাহ করবে চীন। ফলে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর হবে।

জে-১০সিই একটি ৪ দশমিক ৫ প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। এতে উন্নত সক্রিয় ইলেকট্রনিক স্ক্যানিং রাডার রয়েছে, যা একাধিক লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে। এছাড়া দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ‘পিএল-১৫’ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। উন্নত তথ্য সংযোগ ব্যবস্থা ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এটি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

ভারতের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এই বিমান মোতায়েন করা হলে শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা পরিবেশে নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ইস্যুতে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে যে শীতলতা দেখা দিয়েছে, তার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখছেন।

তবে বাংলাদেশের অবস্থান হলো, এটি সম্পূর্ণ সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিযোগিতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থার নতুন যুগের সূচনা করতে পারে এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।