ঢাকাসোমবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিদ্যুতের বকেয়া ৪৫ হাজার কোটি, বিপাকে নতুন সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদন
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বিপুল দেনা, জ্বালানি সংকট ও ডলার চাপ—সব মিলিয়ে দেশের বিদ্যুৎ খাতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে নতুন সরকার। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে গ্রীষ্ম মৌসুমে লোডশেডিং বাড়তে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট হলেও চলতি বছর সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রাখতে হবে এবং অর্থ সংকট মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থাপনা নিতে হবে।

পিডিবি সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে মোট বকেয়া প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। কয়েক মাস ধরে বিল না পাওয়ায় তারা তেল আমদানিতে সমস্যার মুখে পড়ছে। সংগঠনটির মতে, বকেয়া দ্রুত কমানো না গেলে গরমে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।

পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করীম বলেন, দীর্ঘদিনের ভর্তুকি ঘাটতি ও রাজস্ব সংকটের কারণেই বকেয়া জমেছে। সরকার থেকে অর্থ ছাড় পেলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে।

বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট হলেও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। উৎপাদনের ৮৮ শতাংশই গ্যাস, কয়লা ও তেলের ওপর নির্ভরশীল। দেশীয় গ্যাস কমে যাওয়ায় এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে এবং তেল-কয়লার প্রায় পুরোটাই বিদেশ থেকে আনতে হয়।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—সব জ্বালানি আমদানি করবে, নাকি ডলার সাশ্রয়ের জন্য সীমিত ব্যবহার করবে। তার মতে, বিদ্যুৎ খাতে বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যদিকে ড. এম শামসুল আলম মনে করেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কমিয়ে কয়লা নির্ভর উৎপাদন বাড়ালে বছরে ২৮–৩০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব। তবে ইজাজ হোসেন বলেন, পিক সময়ে তেলভিত্তিক কেন্দ্র পুরোপুরি বাদ দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়।

সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, বকেয়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়ের ওপর নির্ভর করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বকেয়া রাখা হয়নি।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, আপাতত অগ্রাধিকার রমজান ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখা। কিছু বকেয়া পরিশোধ করে কেন্দ্রগুলো সচল রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজা হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।