ঢাকাশুক্রবার , ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারই বড় পরীক্ষা, চাপ বাড়ছে নতুন সরকারে

নিজস্ব প্রতিবেদন
এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বাংলাদেশে দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত প্রথম অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকার এখন একাধিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসন শেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।

এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ সতর্ক করে বলেছে, সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে দেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক রিজার্ভ সংকট এবং বিনিয়োগে স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাংলাদেশের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এতে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশাসনিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার না হলে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা অর্জন কঠিন হবে।

রাজনৈতিক দিক থেকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব নয়। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে যে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ঐক্য প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। একটি বড় রাজনৈতিক শক্তিকে পুরোপুরি প্রক্রিয়ার বাইরে রাখলে তা ভবিষ্যতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে।

পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য রক্ষা করাও সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় সক্রিয় কূটনীতি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের পরবর্তী স্বল্প সময়ের মধ্যে যদি সরকার দৃশ্যমান উন্নয়ন ও সংস্কার দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের অসন্তোষ পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সুত্র: ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।