ঢাকাসোমবার , ৫ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল ৮ শহিদের পরিচয়

নিজস্ব প্রতিবেদন
জানুয়ারি ৫, ২০২৬ ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা শহিদদের পরিচয় নির্ধারণে আইন, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে মরদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক শনাক্তকরণ কার্যক্রম। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে, যা এখনো চলমান রয়েছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নিহত একাধিক নারী ও পুরুষের মরদেহ পরিচয়বিহীন অবস্থায় রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহিদদের পরিচয় উদ্ধার ও মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সিআইডি এই কার্যক্রমের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করছে। ফরেনসিক বিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদান রাখা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ ডা. মরিস টিডবল-বিনজের তত্ত্বাবধানে সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিকেল ফরেনসিক টিমকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউএনএইচআরসির সহায়তায় আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ লুইস ফন্ডেব্রিডারের নেতৃত্বে মিনেসোটা প্রটোকল অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ ডায়েরি ও তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি দেন। আদালতের আদেশ অনুসারে মোট ১১৪টি মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

প্রতিটি মরদেহ উত্তোলনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল প্রস্তুত করেন এবং ফরেনসিক চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ও কেমিক্যাল ল্যাবরেটরিতে নমুনা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে শহিদদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকে ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এই বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ৮ জন অজ্ঞাতনামা শহিদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট মরদেহ শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উদ্যোগ নিখোঁজ শহিদ পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণে সহায়ক হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।