ডেস্ক রিপোর্ট ॥ সারা দেশে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার প্রথমবারের মতো দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁসের সুযোগ রাখা হয়নি।
এবার মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৮৬৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।
বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা দেশের ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় রয়েছে এমন ৪০টি কেন্দ্র।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম, শৌচাগার তল্লাশি এবং কেন্দ্র পরিচালনাসহ ৩৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সারা দেশের ওই দিনের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, নকলের ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, সব বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ শিক্ষাব্যবস্থায় সমতা আনবে। তবে প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ এবং মূল্যায়নে অভিন্ন মান নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এবারের লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
