ডেস্ক রিপোর্ট ॥ সরকার গঠনের পর সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৎপরতা বেড়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, সাধারণ আসনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাগে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে প্রায় ৩৭টি আসন আসতে পারে। নির্বাচন কমিশন রমজান মাসের মধ্যেই এ নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ঈদের আগেই ভোট শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন শেষ করতে হয়।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও দুটি আসনে এগিয়ে আছে। স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত সাতজনও মূলত দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হওয়া বিএনপি নেতা হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনে দলটির অংশ বাড়ছে। ফলে ৩৭টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, ইসির তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়া হবে এবং রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও অবদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রবীণ ও নবীনদের সমন্বয়ের নীতি বজায় রাখা হবে।
মনোনয়ন পেতে শতাধিক নেত্রী আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বেগম সেলিমা রহমান ও আফরোজা আব্বাস। এছাড়া বীথিকা বিনতে হুসাইন, হেলেন জেরিন খান, নিপুণ রায় চৌধুরী ও সানজিদা ইসলাম তুলির নামও আলোচনায় আছে।
সম্ভাব্য তালিকায় আরও রয়েছেন শিরিন সুলতানা, সুলতানা আহমেদ, নাজমুন নাহার বেবী, শাম্মী আকতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আকতার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন। সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, কনক চাঁপা এবং সাংবাদিক শাহনাজ পলির নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদও সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন।
তরুণদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী আলোচনায় আছেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বড় অংশ ঢাকায় অবস্থান করে দলের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। শেষ পর্যন্ত দলের হাইকমান্ডই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
