ঢাকাশনিবার , ৪ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলাপাড়ায় খাল দখলে কৃষকের দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদন
এপ্রিল ৪, ২০২৬ ১২:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার জিনবুনিয়া খাল দখলমুক্ত করার দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। খাল উদ্ধার করতে মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ছলিমুল্লাহ তালুকদার প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আবেদনে বলা হয়, খেপুপাড়া মৌজার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির পশ্চিম বাদুরতলী অংশের আশপাশে সহস্রাধিক একর কৃষিজমি রয়েছে, যার ওপর পাঁচ শতাধিক মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। কিন্তু সরকারি খাল দখল করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ, পুকুর খনন ও মাছ চাষ করায় কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, মো. এমাদুল ও মো. ইসমাইল আকন জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাল দখল করে নতুন করে বালু ভরাট করছেন। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে বাড়িঘরে পানি ঢুকছে এবং শত শত একর জমি অনাবাদি হয়ে পড়ছে।

চিংগড়িয়া এলাকার গৌতম চন্দ্র হাওলাদার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেও কোনো সুফল পাননি বলে জানান। স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলো একাধিক মানববন্ধন করলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় ভূমিদস্যুরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নাগরিক উদ্যোগ কলাপাড়ার আহ্বায়ক কমরেড নাসির তালুকদার বলেন, বিষয়টি বারবার উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এদিকে, অভিযুক্ত মো. এমাদুল ২০২১ সালে জেলা প্রশাসকসহ ছয় কর্মকর্তাকে বিবাদী করে মামলা করেন, তবে ২০২৫ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক মামলার অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করেন।

অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।