ঢাকামঙ্গলবার , ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নভেম্বরে উৎপাদনে আসছে রূপপুর, জাতীয় গ্রিডে যাবে ৩০০ মেগাওয়াট

নিজস্ব প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর আগামী নভেম্বর মাসে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারে বলে আশা করছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন্দ্রটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে প্রথম পর্যায়ে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বিশ্বের ৩৩তম দেশে পরিণত হবে।

তবে উৎপাদনে যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারিগরি ধাপ এখনো শেষ করতে হবে। বর্তমানে প্রেসারাইজার পাইলট অপারেটেড রিলিফ ভালভের পরীক্ষা ও ত্রুটি সংশোধনের কাজ চলছে। গত দেড় মাস ধরে পরীক্ষাটি সফল হয়নি। এই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর ফিশন বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেছেন, আদর্শ কর্মসূচি অনুসরণ করা হলে নভেম্বরের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব। তবে শেষ মুহূর্তে কোনো পরীক্ষায় কারিগরি সমস্যা দেখা দিলে নির্ধারিত সময় আরও পিছিয়ে যেতে পারে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, বি-টু ধাপে দুই থেকে তিন সপ্তাহ এবং টারবাইনের মাধ্যমে ৩০ শতাংশ বাষ্প তৈরিতে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। ফলে মোট প্রায় নয় সপ্তাহ বা দুই মাস প্রয়োজন হবে। বি-ওয়ান ধাপে জ্বালানি স্থাপনের পর ফিশন বিক্রিয়ায় তাপশক্তি তৈরি হবে। সেই তাপশক্তি বাষ্পে রূপান্তরিত করে টারবাইন ঘোরানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

রূপপুরের বিদ্যুতের দামও চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ২০১৬ সালে প্রতি ইউনিট উৎপাদন ব্যয় ৪ টাকা ৬৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর সঙ্গে পরিচালন ব্যয়, বিমা ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হবে। প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০ টাকার নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও রূপপুর কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এদিকে স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বাংলাদেশ-রাশিয়া সরকারের চুক্তি অনুযায়ী ব্যবহৃত জ্বালানি রাশিয়ায় ফিরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও এর জন্য কত অর্থ পরিশোধ করতে হবে, সে বিষয়ে বাণিজ্যিক চুক্তি এখনো হয়নি। ব্যবহৃত জ্বালানি প্রায় ১০ বছর চুল্লিতে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম স্পেন্ট ফুয়েলের চেয়ে ভারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, উৎপাদন শুরুর পর প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ভারি বর্জ্য তৈরি হবে, অথচ এসব বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য এখনো কোনো সংরক্ষণাগার তৈরি হয়নি। দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।