ডেস্ক রিপোর্ট ॥ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয়ের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে রয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় সরকার গঠনের পথ সুগম করেছে। নির্বাচনি ফলাফল অনুযায়ী তিনি শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে রাজনৈতিক মহলে আশা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে নির্বাসিত থাকার পর দেশে ফিরে তিনি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন। ৬০ বছর বয়সে প্রথমবার সরকার প্রধান হওয়ার সম্ভাবনা তাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশেষ অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তুলনামূলক কম বয়সে নেতৃত্বের শীর্ষে ওঠার নজির বেশি থাকলেও এবার বয়সের দিক থেকে এটি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানদের বয়স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অধিকাংশ নেতাই মধ্যবয়সে দায়িত্ব নিয়েছেন। সেই তুলনায় তারেক রহমানের বয়সে ক্ষমতায় আসাকে রাজনৈতিক পরিপক্বতার প্রতিফলন হিসেবেও দেখছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবরণ ও নির্বাসনের অভিজ্ঞতা তাকে আরও ধৈর্যশীল ও বাস্তবমুখী নেতৃত্বে পরিণত করেছে।
নির্বাচনের পর দেশের পুঁজিবাজার, ব্যবসায়ী মহল এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন সম্ভাব্য নতুন সরকারের দিকে। বিশেষ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে তার নেতৃত্ব কী ভূমিকা রাখবে তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমও ইতোমধ্যে তাকে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ‘ফ্রন্ট-রানার’ হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে।
