ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত থাকার পর দেশে ফেরার মাত্র সাত সপ্তাহের মধ্যে তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যায়।
টাইম সাময়িকীতে সাক্ষাৎকারে তারেক বলেন, নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হবে:
১. জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা:
“প্রতিশোধ কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারবে না। যদি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা যায়, ভালো কিছু অর্জন সম্ভব।”
২. আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার:
জনগণের আস্থা পুনর্গঠন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা তার সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
৩. অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান:
যুব বেকারত্ব ১৩.৫ শতাংশ। ২০ লাখ তরুণ প্রতিবছর বাজারে প্রবেশ করে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি, ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত উদারীকরণ ও প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনায় রয়েছে।
৪. বৈদেশিক সম্পর্ক:
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি অভিনন্দন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য ও বাজার সম্প্রসারণ অগ্রাধিকার।
৫. রাজনৈতিক সহাবস্থান ও ইসলামপন্থী দল:
জোট নয়, বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশের সব গণতান্ত্রিক দলের দায়িত্ব ঐক্যবদ্ধ কাজ করা।
৬. শিক্ষার্থীদের ভূমিকা:
৫ আগস্টের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দেয়। প্রাণ হারানোদের প্রতি সরকারের দায়িত্ব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল দেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এখন লক্ষ্য—তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো কত দ্রুত কার্যকর হয়।
