ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে নজিরবিহীন মনিটরিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোনোভাবেই তিন দিন অপেক্ষা নয়—নির্বাচনের পরদিন শুক্রবারের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নির্বাচনের দিন প্রতিটি সংসদীয় আসনে একাধিক মনিটরিং টিম দায়িত্ব পালন করবে। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর ভোট পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, যেসব ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি মুহূর্তের কার্যক্রম রেকর্ডে থাকে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য মাঠে থাকবেন। বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনের দিন গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ গঠন করেছে বলেও জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য যাচাই করে দ্রুত সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে থাকবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশনের লক্ষ্য একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া।
