ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোটের দায়িত্বে মোতায়েন না করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনগুলো তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ ও ব্যবস্থাপনা-নির্ভর করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। বর্ষা মৌসুম, বাজেট প্রস্তুতি এবং বিধিমালা সংশোধনের কারণে ভোট আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। ফলে শীতকাল অর্থাৎ নভেম্বর বা ডিসেম্বরকে ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, বাজেট প্রাপ্তির ওপর ভিত্তি করে প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে পারে। এতে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, বর্তমান সময়ে নির্বাচন আইন সংস্কার কমিটি একাধিক বিষয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীদের ভোটার সমর্থনের শর্ত বাতিল, পোস্টার নিষিদ্ধ করা, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের বিধান, জামানত বৃদ্ধি, এবং নির্বাচনী প্রচারে এমপিদের প্রভাব সীমিত করা।
তিনি আরও জানান, ইভিএম বাতিল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অপপ্রচার রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর এগুলো বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
