পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালী–৩ (দশমিনা-গলাচিপা) সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। বিএনপির বিদ্রোহী ও মনোনীত প্রার্থী একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে নির্বাচনী লড়াই ‘বিএনপি বনাম বিএনপি’ রূপ নিতে পারে।
১৯৭১ সালের পর থেকে এই আসনে সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টি এককভাবে দুইবার নির্বাচিত হলেও বিএনপি দুইবার জয়ী হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভের মাত্র তিন মাস পরে পুনর্নির্বাচনে আসনটি হারায় দলটি।
সোমবার বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নুরুল হক নূর এবং জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ শাহ আলম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
হাসান মামুন বলেন, দলের বাইরে থেকে মনোনয়ন দেওয়ায় স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নূর মন্তব্য করেছেন, তিনি আশা করেন, হাসান মামুন দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করবেন না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিদ্রোহী প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের পরিমাণ ও ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। জেলা বিএনপির নেতাদের কেউও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এই নির্বাচনী পরিস্থিতি আগামী ভোটকে তীব্র ও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পটুয়াখালী–৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগামী জাতীয় নির্বাচনের রূপ ও ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
