ঢাকারবিবার , ৫ জুলাই ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়ালেও বাড়ছে রোগী ও উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদন
জুলাই ৫, ২০২৬ ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দেশের স্বাস্থ্য খাতে। কীটতত্ত্ববিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ বছর রাজধানীর তুলনায় গ্রামাঞ্চল ও জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। একই সময়ে হাম রোগীর চাপ এবং হাসপাতালগুলোর শয্যা সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলা এলাকায় এডিস মশার বংশবিস্তার দ্রুত বাড়ছে। গত বছর বরগুনা জেলাকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও এডিস মশার বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ রোগ তথ্য, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের দেওয়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বেশিরভাগ সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি।

আইইডিসিআরের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. গোলাম ছারোয়ার বলেছেন, এডিস মশার ঘনত্ব নির্ণয়ে জরুরি কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেক বেশি হওয়ায় এখনই কার্যকর মশক নিধন অভিযান পরিচালনা না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপে রাজশাহী নগরীতে এডিস মশার প্রজনন সূচক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত উচ্চ ঝুঁকির সীমার অনেক ওপরে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুমে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সেখানে ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. বেনজির আহমেদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাক হোসেনও বলেছেন, রাজধানীর তুলনায় ঢাকার বাইরের অঞ্চলগুলো এবার বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি।

এদিকে হাসপাতালগুলো ইতোমধ্যে রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ হাজার ৬০০ শয্যার বিপরীতে পাঁচ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। হামে পাঁচজনের মৃত্যু ও ৭২৯ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসেন মোহাম্মদ মইনুল আহাসান জানিয়েছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় বৈঠক করে প্রয়োজনীয় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।