ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৩ জুলাই ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বৃষ্টি বাড়তেই হাম-ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে উদ্বিগ্ন জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদন
জুলাই ২৩, ২০২৬ ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ হাম ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ একসঙ্গে বাড়তে থাকায় দেশের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও তীব্র হতে পারে। একই সঙ্গে হাম-পরবর্তী জটিলতায়ও বাড়ছে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি। ফলে দুই রোগ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, মে থেকে জুন এবং জুন থেকে জুলাই—প্রতি মাসেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। চলমান ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল বাড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে রোগী উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে এবং অক্টোবর পর্যন্ত সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। তিনি প্লাস্টিকসহ যেসব পাত্রে পানি জমে থাকে সেগুলো অপসারণ এবং কার্যকরভাবে লার্ভা ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে হাম প্রতিরোধে সরকারের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ও ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হলেও অনেক শিশু এখনো টিকার বাইরে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাবঞ্চিত শিশুরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বর্তমানে নতুন হাম রোগী তুলনামূলক কম এলেও আগে আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণ নিয়ে আবার হাসপাতালে ফিরছে। এসব জটিলতা থেকে মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০৪ জন সন্দেহজনক ও ১৩৩ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৭০৮ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৭৮ জন, যার মধ্যে ৯৯ হাজার ২৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৭০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৭৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে। একই সঙ্গে রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এডিস মশা ও লার্ভা ধ্বংসে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।