ডেস্ক রিপোর্ট ॥ দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অবস্থান ও প্রত্যাবর্তন প্রশ্নে ভারত এখনো স্পষ্ট বার্তা দেয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত একটি আলোচনায় তিনি বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকার “মাত্র এক দিনের মধ্যেই” ট্রাভেল পাস ইস্যু করবে।
তিনি জানান, লন্ডনে তারেক রহমান কোন আইনি বা রাজনৈতিক স্ট্যাটাসে রয়েছেন, সে বিষয়ে ঢাকা কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি। তবে তিনি দেশে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাকে আটকে রাখার সম্ভাবনা নেই।
আলোচনায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, “তিনি ভারতে আছেন বলে জানা গেলেও সেখান থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি।” দু’দেশের মধ্যে তার প্রত্যার্পণ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, তিনি ভারতে অবস্থান করলেও ঢাকা–দিল্লি সম্পর্ক এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হওয়ায় বাংলাদেশ তাকে দ্রুত দেশে প্রত্যাবর্তনের আশা করছে।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর আঞ্চলিক কূটনীতিতে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে ভারত নিজেদের মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় নিচ্ছে। তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শিগগিরই স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।”
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক ভূরাজনীতির দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি আরও প্রাসঙ্গিক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে জানান তিনি।
