স্পোর্টস ডেস্ক ॥ বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুধবার (১৫ জুলাই) আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচকে সামনে রেখে শহরজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দুই দলের মুখোমুখি হওয়াকে ঘিরে মাঠের বাইরেও বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় পুলিশ। কারণ, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু ফুটবলীয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ এবং ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার দুটি ঐতিহাসিক গোল, যা দুই দেশের সম্পর্ককে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে।
পুলিশের উদ্বেগের অন্যতম কারণ ফিফার টিকিট বণ্টন পদ্ধতি। সাধারণ টিকিটধারীদের মধ্যে দুই দেশের সমর্থকেরা একই গ্যালারিতে বসতে পারবেন। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে।
এদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টিনা দলের ড্রেসিংরুমে ফকল্যান্ড যুদ্ধ নিয়ে গান গাওয়ার একটি ঘটনা আলোচনায় আসে। তবে দলটির কোচ লিওনেল স্কালোনি সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টভাবে বলেন, তাঁদের কাছে এটি একটি ফুটবল ম্যাচ ছাড়া অন্য কিছু নয়। প্রতিপক্ষ কঠিন হলেও দল কেবল খেলাতেই মনোযোগ দিচ্ছে।
মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলও একই বার্তা দিয়ে বলেন, ইতিহাস ও আবেগ থাকলেও ফকল্যান্ড বা মালভিনাস প্রসঙ্গ মাঠের আলোচনার বিষয় নয়। তাঁদের মূল লক্ষ্য মাঠে সেরা ফুটবল উপহার দেওয়া।
