স্পোর্টস ডেস্ক ॥ বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে বড় এক চমক সৃষ্টি করেছে আফ্রিকার ছোট দেশ কেপ ভার্দে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই তারা শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ফুটবল বিশ্বকে হতবাক করেছে। ম্যাচে তাদের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন সাফল্যের মূল ভিত্তি।
স্পেন পুরো ম্যাচে আক্রমণ চালালেও কেপ ভার্দের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। ২৭টি শট নিলেও স্পেন কোনো গোল করতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচে কেপ ভার্দের দখলে ছিল মাত্র ২৬ শতাংশ বল, তবুও তারা শৃঙ্খলা ও কৌশল দিয়ে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখে।
৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে বড় তারকা। তিনি একাধিক নিশ্চিত গোল রক্ষা করে স্পেনের আক্রমণভাগকে একের পর এক হতাশ করেন। বিশেষ করে তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালও কেপ ভার্দের রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন।
ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভোজিনহা। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়েন, যা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তার এই পারফরম্যান্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
ব্রাজিলের একটি ক্রীড়া সম্প্রচারমাধ্যম দর্শকদের তার ছবিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বান জানায়। ম্যাচ চলাকালীন শুরুতে লক্ষ্য ছিল এক লাখ অনুসারী, কিন্তু ম্যাচ শেষের পর ভোজিনহার অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে চৌদ্দ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
বর্তমানে তিনি পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব জি.ডি. শাভেসে খেললেও এই ম্যাচের পর তিনি কেবল কেপ ভার্দের নয়, বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন।
