স্পোর্টস ডেস্ক ॥ নকআউট পর্বের আগে নিজেদের শক্তিমত্তার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুধু জয়ই পায়নি, বরং দলগত ফুটবলের দারুণ প্রদর্শনীও উপহার দিয়েছে সেলেসাওরা।
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ব্রাজিল। মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে ধারাবাহিক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা। ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের দলগত সমন্বয় ছিল ম্যাচের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। আক্রমণে ওঠার সময় একাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ এবং রক্ষণভাগ থেকে দ্রুত আক্রমণে রূপান্তর ব্রাজিলকে আরও কার্যকর করে তুলেছে। তার মতে, হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের চেয়েও উন্নত ফুটবল খেলেছে দল।
তবে ম্যাচটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। প্রায় ৯৮১ দিন পর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামেন তিনি। দীর্ঘ সময় চোটে ভোগার পর আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরে আসা এই তারকাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে পুরো ব্রাজিল শিবিরে।
আনচেলত্তি বলেন, নেইমারের ফেরা শুধু একজন খেলোয়াড়ের প্রত্যাবর্তন নয়, এটি পুরো দলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার উপস্থিতিতে আক্রমণভাগ আরও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠবে এবং বড় ম্যাচগুলোতে দল বাড়তি সুবিধা পাবে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় দিয়ে ব্রাজিল ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তারা নকআউট পর্বে পৌঁছেছে। একই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় স্থান নিয়ে পরের পর্বে উঠেছে মরক্কো।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণে নকআউট পর্বে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থান পাবে ব্রাজিল। নেইমারের প্রত্যাবর্তন, আক্রমণভাগের ধার এবং ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস শিরোপা লড়াইয়ে দলটিকে আরও ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
