স্পোর্টস ডেস্ক ॥ আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। শক্তি, অভিজ্ঞতা ও পরিসংখ্যানের দিক থেকে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও অস্ট্রিয়ার আক্রমণাত্মক ও উচ্চচাপের ফুটবল তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রাল্ফ রাংনিকের দল অস্ট্রিয়া ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। গত ১২ ম্যাচে তারা ১০টি জয় পেয়েছে, যেখানে তাদের একমাত্র পরাজয় এসেছে রোমানিয়ার বিপক্ষে। এই ধারাবাহিকতা তাদের শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অস্ট্রিয়ার শক্তির মূল জায়গা হচ্ছে তাদের হাই-প্রেসিং কৌশল এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণ। সেট-পিস থেকেও তারা বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি আর্জেন্টিনা তাদের প্রেসিংয়ের চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ম্যাচে অঘটন ঘটতে পারে।
অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। শেষ ১৬ ম্যাচে ১৪ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে। দলটির আক্রমণভাগে মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
সবচেয়ে বেশি নজর এখন লিওনেল মেসির দিকে। ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর তিনি এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল পেলেই তিনি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়বেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই ম্যাচ শুধু জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, বরং ইতিহাস গড়ার এক সম্ভাব্য রাতও হতে পারে।
