নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশালের পশ্চিম কাউনিয়া এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযানকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ খান মেননের মৃত্যুর ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রোববার বিকেলে পুলিশি অভিযানের সময় পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি মারা যান বলে জানা গেছে।
নিহত মেনন ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা মরহুম প্রকৌশলী হেমায়েত উদ্দিন বাদশা মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কাউনিয়া থানার একটি দল তাকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বাড়িতে যায়। তখন মেনন বাড়ির পেছনের দেয়াল টপকে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি দেয়ালের অপর পাশে থাকা একটি ড্রেনের স্লাবের ওপর পড়ে যান। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, দেয়াল থেকে পড়ে আঘাত পাওয়ার পাশাপাশি হৃদরোগজনিত কারণও থাকতে পারে। তবে কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ওসি সঞ্জীব কুমার জানান, মেনন দুটি মামলার আসামি ছিলেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বাড়িতে গেলেও তাকে পায়নি। পরে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার রাতে একই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মেননের স্বজন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক খান ও ফয়েজ খানকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেদিন মেনন বাসায় না থাকায় গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হন।
তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
