ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বর্তমান প্রশাসন সক্ষম—এমন আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের কোথাও অনিয়ম বা দায়িত্ব পালনে বিচ্যুতি দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তফশিল ঘোষণার আগে নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটিকে সরকার নেতিবাচকভাবে দেখছে না। বরং তাদের কাজের মধ্য দিয়েই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।
শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘অভিজ্ঞতা মানে শুধু চাকরির বয়স নয়, বরং পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সক্ষমতা। সঠিক মনোভাব ও দায়িত্ববোধ থাকলে একজন কর্মকর্তা সফলভাবেই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’
তিনি জানান, সরকার সাধারণভাবে মনে করছে মাঠ প্রশাসন নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে অভিযোগ এলে তা গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছপা হবে না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘ঢালাওভাবে কাউকে দোষারোপ করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই তাৎক্ষণিক বিবেচনা করব।’
নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই বক্তব্য প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। তবে বাস্তব প্রয়োগই শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করবে প্রশাসনের সক্ষমতা ও নিরপেক্ষতা।
